২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বাগেরহাট সড়কের কাজ ফের শুরু ॥ ভোগান্তি কমবে


বাবুল সরদার, বাগেরহাট ॥ সিডর ও আইলা বিধ্বস্ত বাগেরহাটের সাইনবোর্ড-বগী ৫৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে আঞ্চলিক মহাসড়কের মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা সড়কের নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। এই অংশের দুটির মধ্যে একটি প্যাকেজের সাড়ে তের কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অপরটির সাড়ে চৌদ্দ কিলোমিটার সড়কের কাজ নির্ধারিত সময়ের দুই থেকে আড়াই মাস আগে শেষ হবে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী। গত মার্চ মাসের শেষের দিকে ‘মেসার্স সফিক ট্রেডার্স ও মেসার্স মোজাহার এন্টারপ্রাইজ’ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এই আঞ্চলিক মহাসড়কের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার তাফালবাড়ি বাজার পর্যন্ত দুই প্যাকেজে ২৮ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজ শুরু করে। একটি প্যাকেজের সাড়ে তের কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সরেজমিনে এলাকার মানুষ ও সংশ্লিষ্ট সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া যায়।

অন্যদিকে সাইনবোর্ড-মোরেলগঞ্জ সড়কের অন্য অংশের ১৮ কিলোমিটারের কাজ গত দুই বছর ধরে বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। দুই উপজেলার প্রায় পাঁচ লাখ মানুষকে এই সড়ক দিয়ে জেলা সদরে আসতে হয়।

বাগেরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবুল কাসেম মোহাম্মদ নাহীন রেজা জানান, সুন্দরবন সংলগ্ন বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলা আঞ্চলিক মহাসড়ের একটি প্যাকেজের সাড়ে তের কিলোমিটারের কাজ শেষ হয়েছে। ঈদের আগে মানুষের চলাচলে অনেক ভোগান্তি কমবে। অপর প্যাকেজের সড়ক উন্নয়ন কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। মানুষের প্রত্যশা পূরণ হতে যাচ্ছে। অন্যদিকে সাইনবোর্ড-সোলমবাড়িয়া পর্যন্ত বন্ধ কাজের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ওই সড়কে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। রমজানের শেষের দিকে কাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।’

রাজশাহীতে নকল জুস, গ্লুকোজ কারখানার সন্ধান

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ নগরীর মীর্জাপুর এলাকায় নকল গ্লুকোজ কারখানার সন্ধান মিলেছে। বাসাবাড়িতে কারখানা খুলে সেখানে নকল গ্লুকোজ-ডি, ম্যাঙ্গো জুস, অরোভিট ও ম্যাঙ্গো লজেন্স তৈরি করে বাজারজাত করা হচ্ছিল।

মঙ্গলবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল গ্লুকোজ-ডি, ম্যাঙ্গো অরোভিট, ম্যাঙ্গো লজেন্স উদ্ধার করেছে।

এ সময় মেঘনা ফুড প্রডাক্টস কারখানা মালিক আবু জাহেরকে আটক করা হয়। পরে তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদ- দেয়া হয়। একইসঙ্গে আরও দুই লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদ- দেয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর কবীর এ রায় দেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত নগরীর বিনোদপুর বাজারের কাছে মীর্জাপুর এলাকায় জাহেরের বাসায় অভিযান চালান।

এ সময় তার বাড়ির ভেতরে কারখানায় নকল গ্লুকোজ-ডি তৈরির মেশিনসহ বিপুল পরিমাণ গ্লুকোজ-ডি, ম্যাঙ্গো লজেন্স, ম্যাঙ্গো অরোভিট জব্দ করা হয়। আটক করা হয় বাড়ি ও কারখানার মালিক আবু জাহেরকে। আটক জাহের জানান, তিনি এক বছর আগে গ্লুকোজ-ডি, লজেন্স ও অরোভিট তৈরির ওই মেশিনটি জমি বিক্রি করে ১৪ লাখ টাকায় কিনেন। এরপর থেকে তিনি ওইসব পণ্য উৎপাদন এবং বাজারজাত করে আসছিলেন।