২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বরিশালে যৌতুকের বলি গৃহবধূ সাথী


স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ যৌতুকের দাবিতে জেলার মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার চরগোপালপুর ইউনিয়নের তালুকদারের চর এলাকার গৃহবধূ সাথী বেগমকে (২০) শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী ও শাশুড়িকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ওসি উজ্জ্বল কুমার দে জানান, জাঙ্গালিয়া গ্রামের তৈয়ব আলীর কন্যা সাথী বেগমের সঙ্গে গত বছর তালুকদারের চর এলাকার আবুল হোসেন মুন্সীর পুত্র সুমন মুন্সীর বিয়ে হয়। তিনি আরও জানান, যৌতুকের দাবিতে প্রায়ই তাদের সংসারে দাম্পত্য কলহ লেগেছিল। শনিবার গভীর রাতে এক সন্তানের জননী গৃহবধূ সাথী বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ওসি আরও জানান, এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় পুলিশ খবর পেয়ে রবিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত গৃহবধূ সাথীর লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে। এ সময় হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে নিহতের স্বামী সুমন মুন্সী ও শাশুড়ি ফরিদা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক স্বামী সুমন মুন্সী হত্যার কথা স্বীকার করে জানায়, স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার একপর্যায়ে গলাটিপে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা তৈয়ব আলী বাদী হয়ে সোমবার সকালে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

কালকিনিতে খাদিজা

নিজস্ব সংবাদদাতা কালকিনি, মাদারীপুর থেকে জানান, যৌতুকের দাবিতে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অমানুষিক নির্যাতনে সন্ধ্যায় মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ডাসার থানার বালীগ্রাম এলাকার পশ্চিম বালীগ্রামে খাদিজা বেগম (২৪) নামের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মুত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, ২০০৯ সালে মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদী গ্রামের ইউসুফ ফকিরের ছেলে এনায়েত ফকিরের সাথে উপজেলার বালীগ্রাম এলাকার পশ্চিম বালীগ্রামের সিরাজ সরদারের মেয়ে খাদিজা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে ২০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি মিলে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে। যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকার করলে খাদিজার স্বামী তাকে হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে তার মৃত্যু হয়।

যশোরে গণপিটুনিতে ৩ দুর্বৃত্ত আহত ॥ বোমা উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ রবিবার রাতে সদর উপজেলার বসুন্দিয়া দোলনঘাটা নামক স্থানে ৩ দুর্বৃত্তকে আটক করে গণপিটুনি দিয়েছে স্থানীয় জনগণ। তাদের কাছ থেকে তিনটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।

এরা হলো শহরের লোন অফিসপাড়ার আল-আমিন (১৯), শেখহাটি জামরুলতলা এলাকার সাঈদ হোসেন (২০) এবং উপশহর এফ ব্লক এলাকার শামীম হোসেন।

কোতোয়ালি থানার ওসি সিকদার আককাছ আলী জানিয়েছেন, রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এই ৩ দুর্বৃত্ত যশোর-খুলনা সড়কের ঘোড়াগাছা নামকস্থানে নিটল-টাটা কোম্পানির একটি ডিপো অফিসের সামনে দুটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

এরপর তারা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যাওয়ার সময় বসুন্দিয়ার দোলনঘাটা নামকস্থানে পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে গণপিটুনি দেয়। এ সময় পুলিশ সেখানে পৌঁছে তাদের কাছ থেকে ৩টি বোমা উদ্ধার করে।