১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

রাজশাহীতে মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং ॥ দুর্ভোগ


স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ থাকলেও রমজানের শুরু থেকেই রাজশাহী অঞ্চলে বিদ্যুতের লোডশেডিং চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। শহরে ও গ্রামে সমানে লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন মানুষ। মসজিদে আযান দেয়া থেকে শুরু করে ইফতার ও সেহ্রীতেও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন মুসল্লিরা। এরই মধ্যে জেলার দুর্গাপুর, চারঘাট ও গোদাগাড়ীতে রমজান মাসে বিদ্যুত সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন মুসল্লিরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যান্ত্রিক ত্রুটির অজুহাতে রোজা শুরুর পর থেকেই লোডশেডিংয়ের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারাবি, সেহরি, ইফতারের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত সরবরাহের কথা থাকলেও রমজানের শুরু থেকেই তা কোন ক্রমেই রক্ষা করতে পারছে না রাজশাহী বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড।

নগরীর কুমারপাড়া, টিকাপাড়া, রামচন্দ্রপুর, হড়গ্রাম, রাণীবাজার, হেতেম খাঁ, নতুন বিলসিমলা, কলাবাগান, কাদিরগঞ্জ, শালবাগান, সিরোইল ও আসাম কলোনি, ছোটবনগ্রাম, উপশহর, পদ্মা আবাসিক ও হাজরাপুকুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দিনে-রাতে সময়ে-অসময়ে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে।

বিদ্যুতের গোলযোগ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে নগরীর সপুরা এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম জানান, শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজ ও সেহরিতে বিদ্যুত চলে যায়। দু’বারে প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুত সরবরাহ ছিল বন্ধ। তবে শহরের চেয়ে গ্রামের অবস্থা আরও নাজুক।

রাজশাহী পল্লী বিদ্যুত সমিতির দুর্গাপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রমেন্দ্র চন্দ্র দাবি করেন, বিদ্যুত সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক আছে।

এদিকে রমজানের শুরুতে রাজশাহী নগরীতেও দেখা দিয়েছে অসহনীয় লোডশেডিং। দিনে-রাতে সমানে চলছে লোডশেডিং। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর নগরীতে ঘনঘন লোডশেডিং শুরু হয়। রাজশাহী বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, যে পরিমাণে চাহিদা সে পরিমাণেই বিদ্যুত সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু যান্ত্রিক কিছু ত্রুটির কারণে বিঘœ ঘটছে বিদ্যুত সরবরাহে। শুক্রবার রাজশাহীতে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১০৯ মেগাওয়াট। এ চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ১০৩ মেগাওয়াট। তারপরেও লোডশেডিং হচ্ছে। এটা যান্ত্রিক সমস্যা। রাজশাহী বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফেরদৌস আলম জানান, রাজশাহীতে যে পরিমাণে বিদ্যুতের চাহিদা সে পরিমাণেই বিদ্যুত পাওয়া যাচ্ছে। তবে যান্ত্রিক কিছু সমস্যার কারণে বিদ্যুত সরবরাহে বিঘœ ঘটছে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে মেরামতের কাজ শেষ হলে বিদ্যুত সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তিনি জানান।