১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

চট্টগ্রাম-দোহাজারী ট্রেন যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন দুই প্রকৌশলী সাসপেন্ড


নিজস্ব সংবাদদাতা, পটিয়া, ২০ জুন ॥ জ্বালানি তেলবাহী একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে খালে পড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম-দোহাজারী লাইনে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। চট্টগ্রামের পটিয়া-বোয়ালখালী সীমান্তের সাইরারপুল ভেঙ্গে হারগেজি খালে পড়ে গেলে রেলওয়ের অতিরিক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল হালিম ও সিনিয়র উপ-সহকারী প্রকৌশলী আকতার আহমেদ ফেরদৌসকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। অপরদিকে বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্রের বিপুল পরিমাণ ফার্নেস অয়েল জোয়ার-ভাটার খালে পড়ে যাওয়ায় সংযুক্ত চানখালী ও কর্ণফুলী নদীর পানি দূষিত হয়ে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ট্রেন চালক মোঃ ইলিয়াছ (৪৪) ও সহকারী চালক মোঃ শহীদুল্লাহ (৪০)। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দোহাজারী ১০০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্টের ফার্নেস অয়েলবাহী ট্রেন শুক্রবার দুপুরে বোয়ালখালী উপজেলার বেঙ্গুরা রেলস্টেশন পার হয়ে পটিয়া সীমান্তের ধলঘাট স্টেশন এলাকায় প্রবেশ করার পূর্বে হারগেজি খালের সাইরারপুল ভেঙ্গে খালে পড়ে যায়। এতে ট্রেনের ৯টি ওয়াগনের মধ্যে দুইটি ও ইঞ্জিনের সিংহভাগ খালে পড়ে যায় । প্রতি ওয়াগনে ২৬ হাজার ৯৬২ লিটার জ্বালানি তেল রয়েছে। দু’টি ওয়াগনের মধ্যে থাকা ৫৩ হাজার ৯২৪ লিটার ফার্নেস অয়েল হারগেজি খাল ছাড়াও সংযুক্ত চানখালী ও কর্ণফুলী নদীতে ভাসছে। দুর্ঘটনার সময় উপস্থিত রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনী গোয়েন্দা শাখার কনস্টেবল মোঃ মকসুদুর রহমান বলেন, প্রায়ই চট্টগ্রাম বন্দরের সিজিপিওয়াই থেকে জ্বালানি তেল নিয়ে ট্রেনটি দোহাজারীর বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্রে যাতায়াত করে। শুক্রবার ট্রেনটি রেলওয়ের ২৪নং ব্রিজ ভেঙ্গে খালে পড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় নাথপাড়া গ্রামের বাবুল নাথ বলেন, হারগেজি খালের এই ব্রিজটি দীর্ঘদিন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সংস্কার না করায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এই ঘটনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রকৌশলী-১ আবিদুর রহমানকে প্রধান করে একটি ও যান্ত্রিক প্রকৌশলী (পূর্ব) হারুনুর রশিদকে প্রধান করে অপর একটি তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: