২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বিজিবি সদস্যের যে ছবি ছাপানে হয়েছে তা জাতির জন্য লজ্জাজনক------রিপন


স্টাফ রিপোর্টার ॥

বিএনপির মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) নায়েক রাজ্জাকের লুঙ্গি পরিহিত রক্তাক্ত ও হাতকড়া অবস্থায় ছবি মিয়ানমারের পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। এ চিত্র দেখে লজ্জায় আমাদের মাথা হেট হয়ে আসে। এটা জাতির জন্য লজ্জাজনক। শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষাকারী বাহিনীর কোন সদস্যকে যেনো অপমানজনকভাবে তুলে নিয়ে যেতে না পারে সেজন্য বিজিবিকে পেশাগত ও বাহিনীগতভাবে সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।বিএনপির মুখপাত্র রিপন বলেন, বিরোধীদলের আন্দোলন চলার সময়ে বিজিবির মহাপরিচালক আব্দুল আজিজ বলেছিল, অস্ত্র থাকে কেন? এটা ব্যবহার করার জন্য। আমরাও বিশ্বাস করি, অস্ত্র ব্যবহার করতে হয় আইনগতভাবে। কিন্তু অস্ত্র হাতে থাকার পরও বিজিবি সদস্যরা অপহৃত হয়। এটা যাতে ভবিষ্যতে না হয় সেজন্য বিজিবিকে পেশাগতভাবে আরও সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

ভবিষ্যতে যাতে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির এমন অপমানজনক অবস্থা তৈরি না হয় সেজন্য মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে কড়া সতর্ক করার দাবিও জানান তিনি। তবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক যাতে বজায় থাকে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

ড. রিপন বলেন, রমজানের যে পবিত্র শিক্ষা তা বিএনপির পক্ষ থেকে অক্ষরে অক্ষরে পালনের চেষ্টা করা হয়। সংঘাত ও রাজনৈতিক অসহিঞ্চুতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আমরা রাজনীতিতে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চাই। রমজান উপলক্ষে আমরা সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম দলের কারাবন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে। কিন্তু সরকার আমাদের আহ্বানে সাড়া না দেওয়ায় আমরা ব্যথিত । সরকারবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিরোধীদল ও সরকার মুখোমুখি অবস্থানে চলে গিয়েছিল। দেশে একটি রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও অসহিঞ্চুতা তৈরি হয়েছিল। সরকার রাষ্ট্রীয় শক্তি দিয়ে আন্দোলন কার্যত স্তব্ধ করে দিয়েছে। তারা এতে সফলও হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ঘিরে সরকার বিরোধীদলের নেতাদের আটক করে। আন্দোলন শেষে নেতাকর্মীরা কারাগার থেকে বের হয়ে আসে। কিন্তু সরকার আমাদের নেতাকর্মীদের মুক্তি দিচ্ছে না । সরকার রাজনৈতিক সংস্কৃতি মানছে না। অথচ বর্তমানে আমাদের সরকারবিরোধী কোন আন্দোলন কর্মসূচি নেই। আমরা সেই সংস্কৃতি আবার শুরু করতে চাই এবং তা রোজার মাস থেকেই।

হামিদ-উজ-জামান মামুন