১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রাধান্য


মশিউর রহমান খান ॥ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে ভ্রমণের সুযোগ সীমিত করে ‘সুন্দরবন ভ্রমণ নীতিমালা’ অনুমোদন করেছে সরকার। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন রক্ষায় এ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। নীতিমালা অনুযায়ী, এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বন বিভাগর কর্মকর্তারা। বিশ্ব ঐতিহ্য রক্ষা, বাঘের আবাসভূমি নির্বিঘœ রাখা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পর্যটকদের নিরাপত্তা বিবেচনায় এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। নীতিমালায় পর্যটকের সংখ্যা, জলযান চলাচল, রাতযাপন ও বেশি সময় অবস্থানের ওপর নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি বন বিভাগ, ট্যুর অপারেটর ও পর্যটকদের দায়িত্বও নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, নীতিমালায় নিরাপত্তার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় শব্দদূষণ, নির্ধারিত রুটের বাইরে জলযান চালনা, যত্রযত্র নোঙর করার ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সমুদ্র পরিবহন অধিদফতরের ফিটনেস সার্টিফিকেট ও বিআইডব্লিউটিএ থেকে চলাচলের অনুমতি ব্যতীত কোন জলযানে পর্যটক বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিদেশী পর্যটকদের জন্য জেলা প্রশাসক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার বিষয়টিও রাখা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা, লাইফ জ্যাকেটসহ জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম রাখার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ট্যুর অপারেটরদের। যে কোন ধরনের বিপদ মোকাবেলায় প্রতিটি জলযানে ছোট নৌকা, স্পিডবোট ও মূল জলযান থেকে ছোট নৌকা ও স্পিডবোটে ওঠানামার সহজ ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে।

গত বছর জুলাইয়ে খসড়া চূড়ান্ত করার পর সম্প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণ নীতিমালা অনুমোদন করে সরকার।