১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

রাশিয়াকে শক্তি দেখাল ন্যাটো


গত বুধবার পোল্যান্ডের উস্তকা উপকূলে যে অবতরণ মহড়া অনুষ্ঠিত হয় তা ছিল বলটপস নামকরণ করা দু’সপ্তাহব্যাপী ন্যাটো মহড়ার চূড়ান্ত রূপ। বড় ধরনের ওই শক্তি প্রদর্শনের মহড়ায় ১৭ দেশের ৪৯টি নৌযান এবং ৫ হাজার ৯০০ সামরিক বাহিনী সদস্য অংশগ্রহণ করে। সে দিন কয়েক ডজন নৌ-অবতরণ যানকে বাল্টিক সাগরের ধূসর পানিতে প্রবল গতিতে চলতে দেখা যায়। আরও দূরবর্তী সাগরে বিশাল যুদ্ধ জাহাজগুলো যুক্তরাষ্ট্রের যান এ্যান্টনিও ব্রিটেনের ওশ্্ন এবং পোল্যান্ডের লিউবলিন দিগন্ত আড়াল করে ফেলেছিল। সৈকতে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইকেল ফ্যালনসহ গণ্যমান্য অভ্যাগতরা মহড়া প্রত্যক্ষ করছিলেন। এসব অবতরণ যানের মধ্যে মার্কিনীদের হোভারক্রাফটটি ছিল বিশালাকৃতির, এত বিরাট যে তা ডি-ডে’র (১৯৪৪ সালের ৬ জুন মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডি উপকূলে অবতরণ দিবস) প্রবীণ যোদ্ধাদের মনেও সমীহ জাগাবে। ইউরোফাইটার টাইফুনগুলো আকাশে উড়ছিল। নৌ-সেনারা জঙ্গলে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার জন্য ছোটাছুটি করছিল। এটি ছিল একটি বিপজ্জনক খেলা। রাশিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটির অন্যতম কালিনিগ্রাদের অবদান পূর্বদিকে মাত্র ১০০ মাইলের কিছু বেশি। দূরে এবং ক্রেমলিন ইউক্রেন সঙ্কট প্রশ্নে এই চড়া উত্তেজনার সময় এ ধরনের মহড়াকে একটি উস্কানি বলে গণ্য করতে পারে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন এ সপ্তাহে ৪০টি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপ থেকে তার সকল অস্ত্রশস্ত্র সরিয়ে নেয়ার দু’বছর পরে পূর্ব ইউরোপের ঘাঁটিগুলোতে ২৫০টি ট্যাঙ্ক সাঁজোয়া যান ও ভারি কামান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বুধবার বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের সাংবাদিকদের বাল্টিকে ন্যাটোর বিস্তারিত মহড়া প্রত্যক্ষ করার আমন্ত্রণ জানানো হয়। যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জোট তাদের কাজের মাধ্যমে দেখাতে চায় যে, তারা পুতিনের মোকাবেলায় দুর্বল শক্তি নয়। খবর গার্ডিয়ানের।