২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

রফতানিতে ব্যর্থ মিশনের সংখ্যা বাড়ছে


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ মিশনের সংখ্যা প্রতি বছর বেড়েই চলেছে। ২০১০-১১ অর্থবছরে ইপিবির লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ মিশনের সংখ্যা ছিল ১৬টি, যা বর্তমানে এসে দাঁড়িয়েছে ৩৩টিতে। ৫ বছরে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ মিশনের সংখ্যা ১৭টি বেড়েছে।

ইপিবি থেকে জানা যায়, ২০১০-১১ অর্থবছরে ইপিবির দেশের বাইরে ৪৪টি মিশন কাজ করে। এর মধ্যে ১৬টি লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে ২০১২-১৩ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মাসে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ মিশনের সংখ্যা বেড়ে হয় ২৫টি।

তবে ২০১৩-১৪ অর্থবছরের একই মাসে ব্যর্থ মিশনের সংখ্যা না বাড়লেও কমেওনি। এ সময়ে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ মিশনের সংখ্যা অপরিবর্তিত ছিল ২৫টিতে। যদিও এক বছরের ব্যবধানে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মাসে ব্যর্থ মিশনের সংখ্যা বাড়ে ৮টি। চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ মিশনের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৩টিতে। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে দেশের বাইরে মোট ৫৩টি মিশন কাজ করছে। এর মধ্যে মাত্র ২০টি মিশন তাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মাসে ইপিবির ৫৩টি মিশনের আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬ হাজার ৮৩৫ দশমিক ৫৬ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে আয় হয়েছে ২৫ হাজার ৩০৩ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ডলার। লক্ষ্যমাত্রা থেকে আয় কম হয়েছে ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। তথ্যের অভাব, সঠিক কর্মীর সঠিক স্থানে নিয়োগ দান না করা এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ মিশনের ক্ষেত্রে তেমন কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না থাকায়ই মূলত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ মিশনের সংখ্যা বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ রফতানিকারক সমিতির সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী। তিনি বলেন, দেশের বাইরে বাংলাদেশের মিশনের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ মিশনের সংখ্যাও। কোন মিশন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হলেও তাকে তার জায়গায়ই রেখে দেয়া হয়। তেমন কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেই। আবার যারা লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করছে তাদের ক্ষেত্রে কোন প্রণোদনারও ব্যবস্থা নেই। কোন মিশনে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার উক্ত মিশন, ওই দেশ, চাহিদা প্রভৃতি সম্পর্কে ধারণা থাকে না। ফলে তারা আশানুরূপ ফল অর্জন করতে পারে না।