১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

বিশেষ দূত থেকে এরশাদের অব্যাহতি চাই ॥ সংসদে ফিরোজ রশীদ


সংসদ রিপোর্টার ॥ জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন বিএনপি-জামায়াত জোটের নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক দেশবিরোধী রাজনীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন সরকারী দলের সংসদ সদস্যরা। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের দায়িত্ব থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদকে রেহাই দেয়ার আহ্বান জানান জাতীয় পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা কাজী ফিরোজ রশিদ।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তাঁরা এসব কথা বলেন। স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও অংশ নেন সরকারী দলের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম, সাবেক ভূমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরা, আবদুল হাই, ফাতেমা-তুজ-জোহরা, আবুল কালাম, গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশিদ, সালমা ইসলাম প্রমুখ।

আলোচনায় অংশ নিয়ে মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার আগে দেশে অতি দরিদ্র ও দরিদ্রের সংখ্যা ছিল ৫ কোটির ওপরে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের আমলে এখন দরিদ্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখে। অর্থাৎ ৩ কোটিরও বেশি মানুষকে দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেভাবে দেশ সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবেই।

জাতীয় পার্টির সিনিয়র নেতা কাজী ফিরোজ রশিদ দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে বলেন, জাতীয় পার্টি কী সত্যিকারের বিরোধী দল? মানুষ এ প্রশ্ন করে আমাদের। আমার দলের চেয়ারম্যান (এরশাদ), তিনি আবার মন্ত্রী মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের পদে রয়েছেন। এটা থেকে আমরা রেহাই চাই। জাতীয় পার্টি একটি বড় দল। আমাদের দলটাকে বাঁচতে দেন।

সংসদ সদস্য আবদুল হাই বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচন না হলে দেশে কষ্টার্জিত গণতন্ত্র থাকত না, অসাংবিধানিক শাসন আসত। আর গণতন্ত্রকে হত্যা করে অসাংবিধানিক শাসন আনতেই খালেদা জিয়া আন্দোলনের নামে দুই শতাধিক মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন। দেশের জনগণ কোনদিনই তাঁকে ক্ষমা করবে না।

সম্পূরক বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি ॥ দশম জাতীয় সংসদে পাস হওয়া সম্পূরক বিল-২০১৫ স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। জাতীয় সংসদের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এস এম মঞ্জুর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দশম জাতীয় সংসদের ষষ্ঠ (২০১৫ সালের বাজেট) অধিবেশনে জাতীয় সংসদ কর্তৃক গৃহীত নিম্নলিখিত বিলটিতে মঙ্গলবার তাঁর সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। সম্মতিজ্ঞাপনকৃত বিলটি হচ্ছে- ‘নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) বিল, ২০১৫।’