২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

বৈষম্যের শিকার দর্শনা রেলস্টেশন


মাকসুদ আহমদ, চুয়াডাঙ্গা থেকে ফিরে ॥ রেলের একমাত্র আন্তর্জাতিক স্টেশন দর্শনা রেল স্টেশনটি স্টেশন মাস্টারের পরিচালনায়। অথচ অপর প্রান্তে ভারতের গেঁদে স্টেশন পরিচালিত হয় স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট পদ মর্যাদায়। দেশের বিভিন্ন রুটে পরিচালিত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্টেশন পরিচালিত হয় ম্যানেজারের নিয়ন্ত্রণে।

অভিযোগ উঠেছে, বৈষম্য সৃষ্টির অপপ্রয়াসে ও পদমর্যাদা বৃদ্ধি না করেই দর্শনা স্টেশনটি পরিচালিত হচ্ছে রেল মন্ত্রণালয়ের অবহেলায়। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সীমান্তবর্তী এ স্টেশন শুধু যাত্রীবাহী মৈত্রী ট্রেনই নয়, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে রেলযোগে আমদানি-রফতানি পণ্যের রাজস্বের বিপুল অঙ্কের হিসাব খাত রয়েছে। তবে এ স্টেশনে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন দফতর নিয়ন্ত্রণ হয় স্টেশন মাস্টারের মাধ্যমে। অধস্তনের অধীনে কাজ করার ফলে দুটি বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

দেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক এ স্টেশনের কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা স্টেশন মাস্টারের চেয়ে উচ্চ পদের কিন্তু কাজ করেন রেলের অধস্তন কর্মকর্তা স্টেশন মাস্টারের আওতায়।

এমন প্রশ্নের উত্তরে রেল মন্ত্রী মুজিবুল হক মঙ্গলবার বিকেলে জনকণ্ঠকে বলেন, দর্শনা স্টেশনটি স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট (এসএস) পদে উন্নীত করা যায় কিনা তা অচিরেই বিবেচনা করে দেখা হবে।

অভিযোগ রয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ এ স্টেশনটিতে স্টেশন মাস্টারের উর্ধতন কর্মকর্তার পদ হিসেবে সুপারিনটেনডেন্ট পদমর্যাদায় উন্নীত করার প্রয়োজন থাকলেও মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তহীনতার কারণে স্টেশনটি অবহেলিত।

চীফ পার্সোনেল অফিসার (পশ্চিম) দফতর থেকে মহাপরিচালক বরাবর গত ২৯ এপ্রিল দর্শনার স্টেশন মাস্টারের পদটি স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট (এসএস) পদে উন্নীতকরণের বিষয়ে একটি চিঠিও প্রেরিত হয়েছে।

এর আগে দুদফায় চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাংসদ মোঃ আলী আজগর টগরের পক্ষ থেকেও আন্তর্জাতিক এ স্টেশনটিকে স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট পর্যায়ে উন্নীতকরণে চিঠি লেখালেখি হলেও ফাইল বন্দী প্রক্রিয়া।