১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

জাতি দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত রায় পেয়েছে ॥ আওয়ামী লীগ


স্টাফ রিপোর্টার ॥ মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদ-ের রায় বহাল রাখায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। রায় ঘোষণার পর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে আনন্দ মিছিলও করেছে আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ ও ওলামা লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন। রাজধানীর পাশাপাশি মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আনন্দ মিছিলও করেছে আওয়ামী লীগ। বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী মুজাহিদের ফাঁসির রায় বহাল রাখায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, বাঙালী জাতি তার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত রায় পেয়েছে। এ রায় দ্রুত কার্যকর হবে বলেও আশা করে জনগণ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মনে করে এ রায় জাতির প্রত্যাশিত রায়। এ রায়ে পুরো জাতি সন্তুষ্ট। দ্রুত রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মা মুক্তি পাবে, বাঙালী জাতি কলঙ্কমুক্ত হবে। পর্যায়ক্রমে সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচার এবং রায় কার্যকরের মধ্য বাংলাদেশে এগিয়ে যাবে।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগ। তিনি বলেন, আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম রায় বহাল রাখবেন আপীল বিভাগ। আপীল বিভাগের দেয়া রায় প্রত্যাশিত। আর অতি দ্রুতই এ রায় কার্যকর করা হবে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ৪টি চূড়ান্ত রায় পেয়েছি। এর মধ্যে দুটি কার্যকর করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মুজাহিদের রায় দ্রুত কার্যকর করা হবে। তিনি বলেন, সংগঠন হিসেবে জামায়াত যে ১৯৭১-এ অপরাধ করেছিল- এ রায়ের মাধ্যমে তা আবারও প্রমাণিত হলো। সংগঠন হিসেবে জামায়াতের বিচারের ব্যাপারেও সরকার আন্তরিক।

এদিকে, মুজাহিদের মৃত্যুদ-াদেশ বহাল রেখে আপীল বিভাগের রায়ের পর পৃথক পৃথকভাবে আনন্দ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আনন্দ মিছিলগুলো বের করা হয়।