২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

গণজাগরণ মঞ্চ ও ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল


বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ একাত্তরে বুদ্ধিজীবী নিধনের পরিকল্পনা ও সহযোগিতার দায়ে আলবদর বাহিনীর নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের আপিলের চূড়ান্ত রায়ে ফাঁসির আদেশ বহাল রাখায় সন্তোষ প্রকাশ করে আনন্দ মিছিল করেছে গণজাগরণ মঞ্চ এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার দুপুরে সুপ্রীমকোর্ট রায় ঘোষণার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে আনন্দ মিছিল বের করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। একই সময়ে সন্তোষ প্রকাশ করে মিছিল করে গণজাগরণ মঞ্চ।

রায় প্রকাশের পর রাজধানীর শাহবাগে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রায় দ্রুত বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করে মঞ্চের একাংশের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার সাংবাদিকদের বলেন, এই রায় হওয়ায় আমরা অন্তত্য খুশি। আমরা মনে করি সারাদেশের প্রত্যেকটি মানুষ যারা দীর্ঘ ৪৪ বছর ধরে অপেক্ষায় ছিল যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশ দায়মুক্ত হবে। আমরা অপেক্ষা করছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই রায় কার্যকর করা হোক।

এরপর একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ঘুরে আবার শাহবাগ গিয়ে শেষ হয়।

এদিন সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃ-বৃন্দ ও কর্মীদের নিয়ে জড়ো হন ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ. এম. বদিউজ্জামান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম।

রায় প্রকাশের খবর আসতেই একটি বিশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান ঘুরে চারুকলা অনুষদের সামনে গিয়ে শেষ হয় এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি এইচ. এম. বদিউজ্জামান সোহাগ।

তিনি বলেন, একাত্তরের কুখ্যাত রাজাকার মুজাহিদের ফাঁসির রায় বহাল থাকায় সারা বাংলার সাধারণ মানুষের মানুষের মতো ছাত্র সমাজও খুশি। এভাবে প্রতিটি মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও রায় কার্যকর করে এদেশ থেকে ওদের চিহ্নকে নিশ্চিহ্ন করতে হবে। জামায়াত-শিবির ও মানবতাবিরোধীদের এদেশের মাটিতে কোনো ঠাঁই নেই। এদেরকে মোকাবেলা করতে ছাত্রলীগ রাজপথে আছে। তিনি এই রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবিও জানান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি জয়দেব নন্দি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল কবির রাহাত, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, হাসানুজ্জামান তারেক, দপ্তর সম্পাদক শেখ রাসেল, ক্রিড়া সম্পাদক আবিদ আল হাসান, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সাইফুর রহমান সোহাগ, সমাজ সেবা সম্পাদক কাজী এনায়েত, সহসম্পাদক আসাদুজ্জামান নাদিম, সদস্য এনামুল হক প্রিন্সসহ বিভিন্ন হল ও ইউনিটের নেতা-কর্মীরা।