১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৬ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

স্থাপনাটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।


নেপালের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক ॥ ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার কারণে কিছুদিন বন্ধ থাকার পর নেপালের কাঠমান্ডু উপত্যকার ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানগুলো জনসাধারণের জন্য আবার খুলে দেয়া হচ্ছে।

পর্যটকদের আকৃষ্ট করতেই এসব স্থাপনা খুলে দেয়া হচ্ছে বলে সোমবার জানিয়েছে বিবিসি।

যে স্থাপনা খুলে দেয়া হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে, ঐতিহাসিক দরবার স্কোয়ারও রয়েছে। ভূমিকম্পে এই

ক্ষতিগ্রস্থ এই স্থাপনাগুলো ফের জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করায় এগুলো রক্ষার ব্যাপারে কিছুটা উদ্বেগ জানিয়েছে ইউনেস্কো। তবে এ ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে নেপালি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে গণমাধ্যমগুলো।

ত ২৫ এপ্রিলের ওই ভূমিকম্পে আট হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত ও নেপালজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছে।

ভূমিকম্পের কিছুক্ষণের মধ্যেই ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা কাঠমান্ডু উপত্যকার ক্ষতিকে ‘ব্যাপক ও অপূরণীয়’ বলে বর্ণনা করেছিলেন। ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে নেপালে একটি দল পাঠিয়েছিল ইউনেস্কো। তারপর থেকে দলটি ধারাবাহিকভাবে নেপালের ভূমিকম্প পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আসছে।

১১ জুন প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ঐতিহাসিক স্থানগুলোর বিষয়ে অতিরিক্ত সতর্ক থাকার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানায় ইউনেস্কো। একই বিবৃতিতে স্থাপনা-স্থানগুলো পুনরায় উন্মুক্ত করে দেয়ার সিদ্ধান্তটি কর্তৃপক্ষ পুনর্বিবেচনা করবে বলে আশা প্রকাশ করে জাতিসংঘের সংস্থাটি।

নেপালি গণমাধ্যমে প্রকাশিত দেশটির কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে, স্থাপনা রক্ষায় নিরাপত্তা রক্ষী রাখা হবে, পর্যটকদের সঙ্গে গাইড থাকবে এবং স্থাপনাগুলো ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা করতে সাইনবোর্ড স্থাপন করে তাতে নির্দিষ্ট রুট চিহ্নিত করে দেওয়া হবে।