১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

শরীর ও ত্বকের যতেœ মৌসুমী ফল


চলছে মধুমাস অর্থাৎ ফলফলাদির মাস। মৌসুমী ফলে ছেয়ে আছে চারদিক। পাকা সব ফলে মুখ রঙিন করার সময় চলছে। গ্রীষ্মের দাবদাহে অতিষ্ঠ জীবন সবার। তাই একটু পানীয় নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমী ফলকে প্রাধান্য দিচ্ছে সবাই। গ্রীষ্মের এই ভ্যাপসা গরমকে সবাই না বললেও গ্রীষ্মের উপহার মৌসুমী ফলকে হ্যাঁ বলতে বাধ্য সবাই। শরীরের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধি সাধনে মৌসুমী ফলের কোন জুড়ি নেই। ক্যালসিয়াম, কার্বোহাইড্রেট, আয়রন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন আছে এই রসালো ফলগুলোতে। ফলগুলো যেমন উপকারী তেমনি সুস্বাদু। উল্লেখ করে বলতে গেলে আম-এটি ক্যান্সার ও হৃদরোগ থেকে রক্ষা করে। ব্লাডপ্রেসার স্বাভাবিক রাখে। লাল রঙের স্ট্রবেরি যেটি পেট ভরা রাখে উপরন্তু শরীরে কোন চর্বি হয় না, ক্যালরি অনেক কম। ছেলে বুড়ো সবার খাওয়ার উপযোগী। গ্রীষ্মের দাবদাহে শরীরের পানি শূন্যতা দূরীকরণে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে তরমুজ। মৌসুমী ফলগুলো কিন্তু শুধু শরীরের ভেতরটাই নয়, বাহ্যিক দিকটার জন্যও বেশ উপকারী।

আমরা যারা ফলফলাদি খেতে খুব একটা পছন্দ করি না তারা চাইলে ফলগুলোকে অন্য উপায়ে ব্যবহার করতে পারি।

১। তরমুজের রসের সঙ্গে সামান্য পরিমাণ ঠা-া দুধ আর লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করার পর সেটি ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে। তাহলে মুখের ত্বকটা বেশ উজ্জ্বল দেখাবে।

২। গরমের সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের মেলানিন নষ্ট করে দেয়। আর তাই ত্বকের বিভিন্ন জায়গায় কালো ছোপ পড়ে। এটা অবহেলা করবেন না। স্ট্রবেরি একটু থেতিয়ে তাতে সামান্য টক দই আর আলুর রস দিয়ে মুখে লাগাতে হবে। এতে কালো দাগ দূর হয়। ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা করে।

৩। পাকা পেঁপে সামান্য ঠা-া পানি মুখে মেখে ১০ মিনিট বাতাসে বসুন। মুখের ত্বক টানটান হলে শসার রস অল্প লেবুর রস দিয়ে আরও ১০ মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এতে রোদে বেরোলে রোদ কম লাগবে।

৪। এ সময় কচি ডাব পাওয়া যায় প্রচুর। ডাবের পানি ফ্রিজে রেখে ঠা-া করে তাতে কয়েক ফোঁটা গোলাপজল তরমুজের রস একসঙ্গে মিক্সিং করুন। তারপর মুখে লাগান। এতে মুখে র‌্যাশ বের হয় না। মুখ চুলকায় না।

৫। গরম যতই পড়ুক বাইরে বের হওয়া থেকে কিন্তু আমাদের নিস্তার নেই। বের হওয়ার আগে মুখে সানস্ক্রিন লাগাতে পারেন। বাইরে থেকে এসে আলুর রস, শসার রস দিয়ে মুখ ক্লিন করুন। দেখবেন অনেকটা ফ্রেশ লাগবে।

আমাদের হাতের কাছে থাকে এমন সব ফলফলাদিই সর্বাধিক দরকারে আসে। এগুলো যেমন আমাদের রসনা তৃপ্তি মেটায় তেমনি বাহ্যিক সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে। গরমে আমাদের অধিকাংশের চেহারাই নাজেহাল অবস্থা হয়ে যায় কিন্তু একটু মেইনটেন আর চেষ্টা থাকলেই সহজেই সুন্দর থাকা সম্ভব।