২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

থানার ৫ কর্মকর্তাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা


স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র ইসমাইল শেখ ও আল আমিনকে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সহয়তা করে হত্যার অভিযোগে কোতয়ালি মডেল থানার পাঁচ কর্মকর্তাসহ ছয়জনকে আসামি করে আদালতে একটি মামলা হয়েছে। রবিবার নিহত কলেজছাত্র ইসমাইলের পিতা শহরতলীর তরফ নওয়াপাড়ার বিলাল উদ্দিন শেখ বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

আসামিরা হলো, যশোর কোতয়ালি মডেল থানার এসআই জামাল উদ্দিন, আব্দুর রহিম হাওলাদার, এএসআই শহিদুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন ও বাঘারপাড়ার চাপাতলা গ্রামের রণজিত তরফদারের ছেলে বরুণ কুমার তরফদার। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবু ইব্রাহিম অভিযোগের তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দিয়েছেন কোতয়ালি মডেল থানার ওসিকে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, নিহত ইসমাইল শেখ যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। ২৪ মে সন্ধ্যায় ইসমাইল তার বন্ধু আল আমিনকে সঙ্গে নিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাইকোর্ট মোড়ের দোকানে যায়। এরপর থেকে তাদের দুজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরদিন দুপুরে লোকমারফত সংবাদ পেয়ে হাসপাতাল মর্গে গিয়ে তাদের মৃতদেহ দেখে শনাক্ত করা হয়। এরপর মামলার বাদী বিলাল শেখ জানতে পারেন নিহত ছেলে ও তার বন্ধুর নামে অস্ত্র ও ছিনতাই চেষ্টার অভিযোগে দুটি ও তাদের হত্যার অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছে। নিহত ছেলের বিরুদ্ধে হওয়া মামলার এজাহার, ঘটনাস্থল ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে উল্লিখিত গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে বাদীর সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তিনি বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে দেখেছেন ধর্মীয় অসম প্রেমের কারণে মেয়েপক্ষের লোকজন পুলিশ দিয়ে এ হত্যাকা- ঘটিয়েছে। আসামি বরুণ কুমার হাওলাদার পুলিশকে ব্যবহার করে তার ছেলে ইসমাইল ও তার বন্ধু আল আমিনকে অপহরণ করে নিয়ে রাতের যে কোন সময় হত্যা করে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছে বলে প্রচার করে। বিষয়টি যথেষ্ট সন্দেহের হওয়ায় নিহতের পিতা বিলাল শেখ থানায় হত্যার অভিযোগে মামলা দিলে পুলিশ তা গ্রহণ না করায় তিনি আদালতে এ মামলা করেন।