২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

প্রস্তাবিত বাজেট অগ্রগতি-সমৃদ্ধির অনন্য দলিল


সংসদ রিপোর্টার ॥ প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘অগ্রগতি-সমৃদ্ধির অনন্য দলিল’ হিসেবে আখ্যায়িত করে সংসদ সদস্যরা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু রাজনীতির কবি, আর তাঁর কন্যা শেখ হাসিনা হচ্ছেন উন্নয়ন ও অগ্রগতির কবি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণতন্ত্র ও উন্নয়নতন্ত্রের কাছে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার জঙ্গীতন্ত্র, সন্ত্রাসতন্ত্র ও মানুষকে পুড়িয়ে হত্যার রাজনীতি পরাজিত হয়েছে। আগামীতেও শেখ হাসিনার সমৃদ্ধির সোপানে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁকে সমর্থন দেবে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তাঁরা এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পীকার এ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় অংশ নেন সরকারী দলের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ড. মোহাম্মদ শামসুল হক ভুঁইয়া, এ্যাডভোকেট তারানা হালিম ও জাসদের শিরীন আকতার।

আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির মিছিলে দেশবাসীকে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সব দিক থেকে বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। এই অগ্রযাত্রা কোন ষড়যন্ত্রই বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এমপিদের প্লট দাবির প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের মধ্যে যারা প্লট বা ফ্ল্যাট পাননি, তাঁরা চাইলে এখন এ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে তা নিতে পারবেন। আর প্লট নিতে চাইলে তাও পরে নিতে পারবেন। এজন্য রাজউক এলাকায় ৭শ’ একর অধিগ্রহণ করার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া দুস্থ ও গরিবদের জন্যও ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে দুস্থ ও গরিব মানুষকে প্রতিদিন ৩শ’ টাকা করে দিতে হবে, ২০ বছর পর তারা ফ্ল্যাটের প্রকৃত মালিক হবেন। এছাড়া রাজধানীকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতেও নানা কর্মকা- চলছে।

সরকারী দলের খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে বিএনপি-জামায়াত জোট একের পর এক ষড়যন্ত্র করেছে, এখনও করে যাচ্ছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করে খালেদা জিয়া খুনী জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাদের মন্ত্রী বানিয়ে গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। বিপরীতে শেখ হাসিনা সকল রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করছেন। বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাসীরা যখন ১৫০ জন মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন, তখন আগুন সন্ত্রাসের নেত্রী হয়ে খালেদা জিয়া তাঁর কার্যালয়ে বসে তা উপভোগ করেছেন।

এ্যাডভোকেট তারানা হালিম বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন রাজনীতির কবি, আর উন্নয়ন-অগ্রগতির কবি হচ্ছেন তাঁরই কন্যা শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণতন্ত্র ও উন্নয়নতন্ত্রের কাছে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার জঙ্গীতন্ত্র, সন্ত্রাসতন্ত্র ও মানুষ হত্যাতন্ত্র পরাজিত হয়েছে। বিএনপি নেত্রী (খালেদা জিয়া) তাঁর হাতে লেগে থাকা রক্তের দাগ কোনদিনই মুছে ফেলতে পারবেন না।

জাসদের শিরীন আখতার বলেন, নারী ক্ষমতায়নে অনেক অগ্রগতি হলেও এখনও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। নারী নির্যাতন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। বিদ্যুত সমস্যা সমাধানে অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে। এই অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি বলেন, দেশের এই উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংসের অপচেষ্টা করছেন খালেদা জিয়া। জনগণ তাঁকে রুখে দিয়েছে। তারপরও বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসের রাজনীতির বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: