২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ ॥ বাড়ি দোকান ভাংচুর


নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরিদপুর, ১১ মে ॥ ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৮টি বাড়িঘর, ২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের তুজারপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তুজারপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব ভুইয়ার সঙ্গে ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সরোয়ার হোসেনের বিরোধ চলে আসছিল। গত ১২ মে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তারপর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় দুই পক্ষের উত্তেজনা নিরসনে ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর, আলগী, চান্দ্রা, কাউলীবেড়া, ঘারুয়া ইউনিয়নের ৫ ইউপি চেয়ারম্যান তুজারপুর গ্রামে গিয়ে দুই পক্ষের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে। তারা এলাকা থেকে ফিরে আসার কিছুক্ষণ পরে সকাল সাড়ে আটটার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই পক্ষের কয়েকশ’ লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট করে। এ সময় শিশুসহ ১২ জন আহত হয়। এর মধ্যে একজন ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন।

যশোরে ভাইকে বেঁধে বোনকে গণধর্ষণ

স্টাফ রিপোর্টার, বেনাপোল ॥ শার্শার পল্লীতে এসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক বোন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ভাইকে বেঁধে রাখা হয়। ওই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী গোগা ইউনিয়নের রুদ্রপুর গ্রামে বুধবার রাত ১০টার দিকে। গ্রেফতার আজগার আলীর সঙ্গে পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে আম কিনতে ভাইকে সঙ্গে নিয়ে রুদ্রপুর গ্রামে আসেন ওই নারী। জানা গেছে, আম কেনার কথা বলে বুধবার রাতে ওই নারী ও তার ভাইকে পাশের স্কুলের মাঠে নিয়ে যায় আজগার আলী। মাঠে পৌঁছালে ভাইকে স্কুলের একটি কক্ষে হাত-মুখ বেঁধে ফেলে রাখে আজগার ও তার সঙ্গীরা। পরে আজগার, শহীদ ও সোহেল তাকে ধর্ষণ করে। বৃহস্পতিবার ভোরে তাদের ভয় দেখিয়ে বরিশালের বাসে উঠিয়ে দিতে শার্শার উলাশী বাজারে নিয়ে আসে আজগার ও তার সঙ্গীরা। দ্রুত স্থান ত্যাগ না করলে পুনরায় অপহরণ করে ধর্ষণ করা হবে বলে হুমকি দেয় তারা। এ সময় নির্যাতিত ওই নারী ও তার ভাই চিৎকার দিলে স্থানীয়রা এলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়।