২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

যশোরে ‘সর্বহারা’ পরিচয়ে চাঁদা দাবি


স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ যশোরে নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন ‘সর্বহারা’র পরিচয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ফোন করে চাঁদা চাওয়া হচ্ছে। গত এক সপ্তাহ ধরে যশোরের বেশ কয়েকজন ব্যক্তির কাছে মোবাইল ফোনে বলা হয়েছে, ‘সর্বহারার কয়েকজন নেতা দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ভারতে চিকিৎসাধীন। তাদের চিকিৎসার জন্য প্রচুর টাকার দরকার। সে কারণে তাদের টাকা দিতে হবে।’ তবে পুলিশ বলেছে, ‘সর্বহারা’ নামের সংগঠনের কোন অস্তিত্ব যশোরে নেই। যারা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ফোন করছে তারা এক শ্রেণীর ধান্দাবাজ। সর্বহারার নাম বললে ভয় পেয়ে টাকা দিতে পারে, সে কারণে এই নাম বলা হচ্ছে। যশোর শহরের এইচএমএম রোডের রাজিব এ্যালুমিনিয়ামের মালিক কাশেম আলীর মোবাইলে ৩-৪ দিন আগে একটি কল আসে। তাকে বলা হয় সে সর্বহারার আঞ্চলিক নেতা। তাদের দু’জন সদস্য দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ভারতে চিকিৎসা নিচ্ছে। তাদের সুস্থ করতে অনেক টাকার দরকার। এজন্য আপনাকে এক লাখ টাকা দিতে হবে। তিনি ফোন পেয়ে আর কোন কথা বলেননি।

একই অভিযোগ করেছেন যশোরের পত্রিকা পরিবেশক ইজাহার আলী। তার কাছেও একই কথা বলে টাকা চাওয়া হয়। এ রকম আরও কয়েক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন। মঙ্গল ও বুধবার দু’দফা যশোর সদর উপজেলার মিরা লাউখালী গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে ওমর ফারুকের কাছে ফোন করে এক লাখ টাকা চাঁদা চাওয়া হয়। এই ঘটনায় ওমর ফারুক বুধবার কোতোয়ালি থানায় একটি জিডি করেছেন। কোতোয়ালি থানার ওসি সিকদার আককাছ আলী বলেন, সর্বহারা নামে কোন সংগঠন যশোরে নেই। এক সময় এই সংগঠনের গোপন তৎপরতা ছিল। কিছুদিন ধরে এই নাম বলে একটি প্রতারক চক্র শহরের বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ফোন করে চাঁদা চাচ্ছে। এই কাজে যে সিমকার্ড ব্যবহার হচ্ছে তা যশোর অঞ্চলের। কিন্তু আসল কোন ব্যক্তির ফোন না। কোনটির রেজিস্ট্রেশন নেই আবার রেজিস্ট্রেশন হলেও তা ভুয়া নামের। তিনি বলেন, এক শ্রেণীর প্রতারক বেছে বেছে মোবাইল করছে। যারা ভয় পাচ্ছে তাদের হুমকি দিচ্ছে। যারা উল্টো নানা ভয়ভীতি দেখাচ্ছে তাদের কাছে আর ফোন করছে না। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতারকদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।