২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ইংরেজি মাধ্যমের অভিভাবকদের ই-টিন বাধ্যতামূলক


অর্থনেতিক রিপোর্টার ॥ ইংরেজি মাধ্যম পড়ালেখা করা সন্তানদের অভিভাবকদের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে ইলেক্ট্রনিক ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ই-টিন) প্রচলনের প্রস্তাব করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিতের উপস্থাপন করা অর্থ বিল-২০১৫ তে এ প্রস্তাব করা হয়েছে। একইদিন অর্থমন্ত্রী ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, সন্তানকে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন অভিভাবকরা। তাদের সবারই কর দেওয়ার সঙ্গতি রয়েছে। তাই আমরা তাদের করের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

এনবিআর সূত্র জানায়, দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি) ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর মধ্যে অন্যতম ব্যয়সাপেক্ষ স্কুল। যেখানে ২২ হাজার ডলার পর্যন্ত শিক্ষা খরচ নেওয়া হয়। এছাড়া আরও অনেক ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল রয়েছে যেখানে প্রচুর টাকা বেতন দিতে হয়।

অর্থ বিলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই-টিন প্রযোজ্য এমন আরও কিছু সেবার ক্ষেত্রে নিয়ম ও নিয়ম ভাঙার জরিমানার পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছে।

বিল অনুযায়ী, অংশীদারিত্বমূলক বিনিয়োগ ও ব্যবসায় ই-টিন থাকা বাধ্যতামূলক হলেও প্রবাসীদের জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। দেশে বসবাসরত অন্য দেশের কোনও নাগরিকেরও বিনিয়োগ ও ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে ই-টিন প্রয়োজন হবে না।

কোনও টিন নম্বরধারী ব্যক্তি যদি আয়কর প্রদান না করে তাহলে রাজস্ব বোর্ড তাদের সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করতে পারবে। ভুয়া অডিট রিপোর্ট দেখালে এই জরিমানার পরিমাণ হবে এক লাখ টাকা।

বর্তমানে ২৫টি সেবার ক্ষেত্রে ই-টিন থাকা বাধ্যতামূলক। এদের মধ্যে রয়েছে ট্রেড লাইসেন্স, গাড়ি নিবন্ধন, টেন্ডার দলিল, ব্যাংকের ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড, বাণিজ্যিক গ্যাস ও বিদ্যুৎ লাইন ইত্যাদি।