২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

জামায়াত নেতার দণ্ড কার্যকরে নিস্ক্রিয়তার ট্রাইব্যুনালের অসন্তোষ


স্টাফ রিপোর্টার॥ আদালত অবমাননার দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত দুই জামায়াত নেতার সাজা কার্যকরে সরকার ও পুলিশের নিস্ক্রিয়তায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। আইনজীবী তুরিন আফরোজ একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত খবর ট্রাইব্যুনালের নজরে আনলে চেয়ারম্যান ওবায়দুর হাসান এ অসন্ত্রোষ প্রকাশ করেন।

আদালত অবমাননার দায়ে ২০১৩ সালের ৯ জুন জামায়াতে ইসলামীর তিন নেতাকে সাজা দেয় ট্রাইব্যুনাল-২ দলের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও ঢাকা মহানগর শাখার নায়েবে আমীর হামিদুর রহমান আযাদকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও তিন হাজার টাকা করে জরিমানা করে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেকেরই আরো দুই সপ্তাহের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

তাদের অনুপস্থিতিতে এই দণ্ড দেয়া হয়। আদেশে বলা হয়, জামায়াতের দুই নেতাকে গ্রেফতার অথবা তাদের আত্মসমর্পণের পর থেকে এ দণ্ড কার্যকর হবে।

কিন্তু রায় ঘোষণার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও তা কার্যকরে উদ্যোগ নেয়নি সরকার। সাজাপ্রাপ্ত দুই জামায়াত নেতাকে ’পলাতক’ দেখিয়ে দায় সারে কর্তৃপক্ষ। তাদের গ্রেফতারে পুলিশের নিস্ক্রিয়তায় অসন্তোষ জানিয়েছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মতিঝিলে জামায়াতের এক সমাবেশে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ′স্কাইপ সংলাপের গোপন তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর এ ট্রাইব্যুনাল আর এক মুহূর্তও চলতে পারে না। দেশকে গৃহযুদ্ধের হাত থেকে বাঁচাতে হলে ট্রাইব্যুনাল থেকে রায় দেয়া বন্ধ করতে হবে।′ একই বছরের ৫ ফেব্রুয়ারী রফিকুল ইসলাম খান প্রেস ব্রিফিংয়ে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে একই ধরনের বক্তব্য দেন।