২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

৩৬ শতাংশ মানুষ সামাজিক সুরক্ষায় সুফল পাচ্ছে


স্টাফ রিপোর্টার ॥ সর্বোচ্চ ৩৬ শতাংশ দরিদ্র মানুষের কাছে সামাজিক সুরক্ষার সুফল পৌঁছিয়েছে। সরকারী তথ্যমতে ৩৯ শতাংশ দাবী করা হলেও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্ম এলাকায় তা ৩৬ শতাংশের উপরে নয়। তবে বেশিরভাগ উপকারভোগীই প্রাধমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের উপবৃত্তি, বয়স্ক ভাতা ও কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবার সুবিধা পায়। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও এন জি ডব্লিউ এফ পরিচালিত এক সমীক্ষায় এসব তথ্য উঠে আসে। সমীক্ষায় আরও বলা হয়, দরিদ্র, অতিদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণী যারা উপকার ভোগী এবং উপকার ভোগী নয় তাদের পেশা, সম্পদ মালিকানা, আয়, সঞ্চয়,ঋণ অবস্থার তেমন কোন পার্থক্য লক্ষণীয় নয়।

শনিবার রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল অডিটরিয়ামে ‘সামাজিক সুরক্ষা-বাস্তবতা এবং চ্যালেঞ্জেস’ শীর্ষক সেমিনারে ড. সৈয়দ তারিকুজ্জামান সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ক এক সমীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে এসব তথ্য জানান। যৌথভবে ওই সেমিনারের আয়োজন করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও এন জি ডব্লিউ এফ।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের হুইপ মাহবুব আরা বেগম গিনি এমপি বলেন, আমরা সামাজিক সুরক্ষার নানা ক্ষেত্রে ক্রমাগত এগিয়ে চলছি। পাশ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও নানা সূচকে এগিয়ে আমরা। শিশুদের পুষ্টির ক্ষেত্রে ভারতের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। সামাজিক সুরক্ষার সুফল পেতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিটি মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম বলেন, সব মিলিয়ে দারিদ্রের ঐতিহ্য রয়েছে এদেশের। দেশে সামাজিক নিরাপত্তার কারণে সামাজিক বৈষম্যও কমে আসে। তবে সুরক্ষার নানা ক্ষেত্রে অনিয়মের ঘটনাও ঘটে, ৬০ বছরের নিচের লোকও বয়স্ক ভাতা পায়। এসব সসম্যা দূর করতে পারলে সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়ার পথটি সহজ।

পিপিআরসির নির্বাহী পরিচালক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সামাজিক সুরক্ষা অর্থনৈতিক কৌশলের অন্যতম স্তম্ভ। এর বাস্তবায়ন নিয়ে বির্তক থাকলেও সুরক্ষা নিয়ে কোন বির্তক নেই। বাংলাদশে ক্ষুধা নিবারণ এক সময় মূল সমস্যা ছিল আর বর্তমানে সমস্যার বিষয়টি দারিদ্র ঝুঁকি। তবে টিআর, কাবিখা বাস্তবায়নে সুশাষণের অভাব রয়েছে। আশা করি আগামী বছরের বাজেটগুলোতে স্বাস্থ্য বীমা, পুষ্টি ও নগর দারিদ্রতার বিষয়গুলো মূখ্য হয়ে উঠবে। দেশে দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য বীমা চালু করার দাবীও জানান তিনি।

সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক সাহিন আহমেদ চৌধুরি, নাগিরিক উদ্যোগের নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন, বিলসের সৈয়দ সুলতান উদ্দিন অাহমেদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ প্রমুখ।