১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে ॥ মেনন


স্টাফ রিপোর্টার ॥ খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘দক্ষিণ এশিয়া খাদ্য অধিকার সম্মেলন ২০১৫’ এর একটি বিশেষ অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মেনন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি দেশে খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি দেশকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। তা নিশ্চিত করতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে হবে। খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে একে অপরকে সহযোগিতা করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, দেশে যখন ৭ কোটি মানুষ ছিল তখন খাদ্য আমদানি করতে হতো। বর্তমানে ১৬ কোটি মানুষের বাংলাদেশেও আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ক্ষেত্রবিশেষে আমরা খাদ্য রফতানি করার গৌরব অর্জন করছি।

ওই অধিবেশনে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্য অধিকার ও পুষ্টি নিরাপত্তা’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতের দিল্লী পলিসি গ্রুপের সিনিয়র ফেলো অমিতাভ কু-ু। সভাপতিত্ব করেন অক্সফামের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্নেহাল মোনেজী।

ওই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কয়েকটি প্রস্তাবনা উত্থাপন করা হয়, খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়ন এর অন্যতম। এছাড়াও মৌলিক খাদ্যসমূহ সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য, পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত, সার্ক ফুড ব্যাংক ও সার্ক বীজ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার দাবিও জানানো হয়। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বক্তারা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষুধা ও অপুষ্টির চ্যালেঞ্জটি জটিল ও বহুমাত্রিক। তা মোকাবেলার জন্যও বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। খাদ্য অধিকারকে স্বীকৃতি প্রদান করতে ভারতে আইন প্রণীত হয়েছে এবং তা কার্যকরের উদ্যোগ অব্যাহত আছে। পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপে আইনী কাঠামো প্রণয়নে বেশকিছু পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশেও খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। রবিবার চলমান সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে দুটি প্লেনারি, দুটি বিশেষ অধিবেশন ও সাতটি সমান্তরাল অধিবেশন হয়।

এন্টি পোভার্টি প্লাটফরম-এপিপি, ঢাবি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, পিকেএসএফ, অক্সফ্যম, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, ইন্টারন্যাশনাল ফুড সিকিউরিটি নেটওয়ার্ক-আইএফএসএন, জিআইজেড, ব্র্যাক, কেয়ার বাংলাদেশ, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, ড্যানচার্চএইড বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা ও নেটওয়ার্ক আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে ১৫ দেশের ৫০-এর অধিক প্রতিনিধিসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।