১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কুড়িগ্রামে ৪শ’ হেক্টর ধান পানির নিচে


স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম ॥ প্রবল বর্ষণ আর পাহাড়ী ঢল ও গত ৪ দিনে রৌমারী, রাজীবপুর এবং সদর উপজেলার ধরলা, জিঞ্জিরাম, ধরনী হলহলিয়া ও কালো নদীর দুপারের প্রায় ৪শ হেক্টর জমির বোরো ধান তলিয়ে গেছে। হঠাৎ পানি বৃদ্ধিতে ক্ষেতের পাকা ধান তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে কৃষকরা।

কৃষকরা জানান, পাহাড়ী ঢল ও বৃষ্টিতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বড়াইবাড়ী, চুলিয়ারচর, ঝাউবাড়ী, বারবান্দা, উত্তর বারবান্দা, দক্ষিণ বারবন্দা, কালোচর, চর ইজলামারী, বকবান্দা, খেওয়ারচর, আলগারচর, উত্তর আলগারচর, লালকুড়া, চরসিতাইঝার, মালভাঙ্গা, চর হোলখানা, সুবারকুঠি গ্রামের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ায় তলিয়ে যায় এসব এলাকার পাকা ও আধা পাকা বোরো ধান এবং মৌসুমী সবজি ক্ষেত।

চর হোলখানার আবদুস সবুর (৬২), মহির উদ্দিন (৪৫) রৌমারী উপজেলার ঝাউবাড়ী গ্রামের কৃষক গফুর (৫৪) জানান, বৃষ্টি আর পাহাড়ী ঢলে শতশত হেক্টর জমির পাকা ধান ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এ অবস্থায় শ্রমিক শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এতে অনেক ধান পানিতে তলিয়ে থাকতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বড়াইবাড়ী গ্রামের আব্দুল মালেক জানান, জিঞ্জিরাম নদীর দুই পারে শত শত একর জমির ধান পানির নিচে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এসব ধান ঘরে তোলা সম্ভব হতো। এরই মধ্যে পাহাড়ী ঢলের পানি এসে সব তলিয়ে যায়। দ্রুত পানি সরে না গেলে অনেক ধানক্ষেত নষ্ট হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আজিজুল হক জানান, বৃষ্টি ও পহাড়ী ঢলে রৌমারী, রাজিবপুর উপজেলার জিঞ্জিরাম, ধরনী ও কালোনদীর দুই পাড়ে নমল জাতের ধান ও সবজি ক্ষেতগুলো তলিয়ে গেছে। আমরা কৃষকদের পানিতে থাকা এসব ধান কেটে ঘরে তোলার পরামর্শ দিচ্ছি।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান জানান, উজানে প্রবল বৃষ্টিপাত হওয়ায় ধরলা, জিঞ্জিরাম, ধরনী ও কালোনদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর দুই তীরের ফসল তলিয়ে গেছে। তবে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।