১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কোস্টাল শিপিং চলাচলে দিল্লীর অনুমোদন


অনলাইন ডেস্ক ॥ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্রুত পণ্য পরিবহনের সুবিধার্থে উপকূলীয় জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত দু’দেশের একটি চুক্তি আজ ভারত সরকার অনুমোদন করেছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে আজ অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। এতে দু’দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহনে উপকূল এলাকায় দু’দেশের জাহাজ চলাচলের পথ সুগম হলো। ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এখবর জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, এতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য পরিবহন খরচ হ্রাস ও ভারতের বন্দরগুলোর সামর্থ কাজে লাগানোর সুযোগ আরো বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া, এতে ভারতের উপকূলীয় জাহাজগুলোর পণ্য পরিবহনের নতুন সুযোগ উন্মুক্ত হলো।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, এতে সড়ক পথে বিশেষ করে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে চেকপোস্টগুলোতে অথবা স্থলবন্দরগুলোতে চাপ কমবে। বাংলাদেশ-ভারত উপকুলীয় বাণিজ্যের ফলে বাংলাদেশের পণ্যবাহী জাহাজের জন্য ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর হিসেবে ভারতীয় ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় উভয়ে লাভবান হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারত অন্য দেশের জাহাজের জন্যও সমান সুবিধা দিবে।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের ফলে দু’দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে এবং পণ্য পরিবহন খরচ হ্রাস পাবে।

গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার এখন বাংলাদেশ।

দু’দেশের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচল রুট উন্ম্ক্তু হওয়ায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মালমাল পরিবহনে এটি একটি বিকল্প রুট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্র বন্দরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জাহাজ চলাচল করছে না।

দু’দেশের দুই সমুদ্র বন্দরের মধ্যে সামুদ্রিক জাহাজ চলাচল তেমন লাভজনক ছিল না। সমুদ্র পথে জাহাজ চলাচল খরচ কমাতে রিভার সী ভ্যাসেল হিসেবে পরিচিত (আরএসভি) কোস্টাল শিপিং চলাচলের সুপারিশ করা হয়।

আরএসভি নির্মাণ ও চলাচল খরচ জাহাজের চেয়ে কম। ফলে দুটি দেশই আরএসভি ক্যাটাগরি জাহাজ চলাচলে সম্মত হয়। সূত্র- বাসস।