২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

পেট্রোলবোমায় মানুষ হত্যাকারীরা কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না ॥ নাসিম


স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জ ॥ আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে হত্যাকারীদের শকুন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বাংলার মানুষ শকুনের দলকে কোনদিনও ক্ষমতায় দেখতে চায় না। পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ হত্যাকারীরা আর কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না। এদেশের জনগণ উন্নয়নের সঙ্গে আছে তার প্রমাণ শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হয়েছে মন্তব্য করে তিনি এও বলেছেন উন্নয়ন এবং ভালবাসা দিয়ে মানুষের মন জয় করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০১৯ সালে নির্বাচনে আবারও আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসবে। শনিবার বিকেলে সিরাজগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিকের পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের এক সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। এর আগে দুপুরে তিনি সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট ভবনের শহীদ শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে আরোচনা করেন এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। সন্ধ্যায় তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের কুনকুনিয়া এবং চড়পাড়া গ্রামের ৫ পরিবারের মধ্যে বিদ্যুত সংযোগের উদ্বোধন করেন।

সিরাজগঞ্জে শহীদ এম মনসুর আলী অডিটরিয়ামে কমিউিনিটি ক্লিনিকসমূহের পুরস্কার বিতরণী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ শামসুদ্দীন। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে অধ্যাপক হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি, আব্দুল মজিদ ম-ল এমপি জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ সামিউল ইসলাম সাদী, রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক ডাঃ হেদায়েতুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস বক্তব্য রাখেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রক্তপাতহীন যুদ্ধে মিয়ানমার ও ভারত থেকে সমুদ্র সীমানা উদ্ধার এবং ১৯৭৪ সালের মুজিবুর-ইন্দিরা চুক্তির স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের পর শেখ হাসিনাই একমাত্র সরকারপ্রধান যিনি বাংলাদেশকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে বিশ্বে পরিচিত করে তুলেছেন।

শেখ হাসিনার সরকার ১৯৯৮ সালে ইউনিয়ন পর্যায়ের মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা দিতে কমিমউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার দল ক্ষমতায় এসে তা বন্ধ করে দেয়। আবারও শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে এই ক্লিনিক চালু করে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন। স্বাস্থ্যসবা কার্যক্রমে শেখ হাসিনা নিজে পুরস্কৃত হয়েছেন এবং কমিনিটি ক্লিনিকগুলোকে পুরস্কৃত করেছেন। তিনি কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবার মান বৃদ্ধি করারও আহ্বান জানান।