২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের সম্পদের পূর্ণ বিবরণ প্রকাশের দাবি


নিজের আর্থিক সম্পদের বিবরণ পুরোপুরি প্রকাশের জন্য মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট শুক্রবার চাপের মুখে পড়েছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার এক খবরে বলা হয়, মেক্সিকো সিটির কাছে একটি হ্রদ তীরবর্তী নিভৃত স্থানের একটি ভূসম্পত্তির মালিকানা কিভাবে অর্জন করেছেন সে ব্যাপারে তিনি ভুল তথ্য উপস্থাপন করেছেন। বাম থেকে শুরু করে দক্ষিণপন্থী বিরোধীদলীয় আইনপ্রণেতারা প্রেসিডেন্ট এনরিক পেনা নিয়েতোর প্রতি তাঁর সকল সম্পদের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁর নিজের প্রয়াসকেই দুর্বল করে দিয়েছেন। খবর ইয়াহু নিউজের।

এদিকে, আইন বিশেষজ্ঞরা এবং সরকারী কর্মচারীদের ওপর নজরদারি করার দায়িত্বপ্রাপ্ত দু’জন সাবেক সরকারী কর্মকর্তা বলেন, পেনা নিয়েতোর দফতর থেকে এই জমি তাঁর পিতা দান করেছেন বলে যে দাবি করা হয়েছে তা সঠিক নয়, কারণ সরকারী রেজিস্ট্রি দলিলে তাঁকেই একমাত্র ক্রেতা হিসেবে দেখানো হয়েছে। মধ্যবামপন্থী বিরোধী ন্যাশনাল এ্যাকশন পার্টির (পিএএন) আইনপ্রণেতা এবং মেক্সিকোর নিম্ন পরিষদের স্বচ্ছতা কমিটির একজন সদস্য এলিজাবেথ ইয়ানেজ বলেন, যদি প্রতীয়মান হয় যে, তিনি একজন ক্রেতা তবে তিনি কোনভাবেই এটিকে দান বলতে পারেন না। প্রেসিডেন্ট দফতরের একজন কর্মকর্তা সরকারী দলিলে সম্পত্তির যে বর্ণনা দেয়ো হয়েছে সে ব্যাপারে উত্থাপিত আপত্তির ব্যাপারে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। ইয়াহু নিউজ দেখতে পেয়েছে যে, পেনা নিয়েতো ১৯৮৮তে ভালে ডি ব্র্যাভো শহরে একটি তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে ১ হাজার বর্গমিটারের একখ- জমি কেনেন। তিনি জমিটি দান হিসেবে পেয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষকে জানান। দলিলে দেখা যায়, পেনা নিয়েতো সরাসরি সম্পত্তিটি ক্রয় করেছেন। দলিলে তাঁর প্রয়াত পিতার কোন উল্লেখ নেই। আইনজীবীরা বলেছেন, মেক্সিকোর আইন অনুযায়ী এমনকি তাঁর পিতা যদি জমিটি কেনার জন্য তাঁকে অর্থ দিয়েও থাকেন তবুও তিনি এটিকে দান হিসেবে ঘোষণা করতে পারেন না। তারা এ প্রসঙ্গে স্টেট অব মেক্সিকোর দেওয়ানি আইনের ৭৬১০ ও ৭৬২০ ধারার উল্লেখ করেন। ভালে ডি ব্র্যাভো ওই অঞ্চলে অবস্থিত। পেনা নিয়েতো তাঁর পিতামাতার কাছ থেকে দান হিসেবেও অন্য পাঁচটি সম্পত্তির তালিকাও দেন, তবে সেগুলো কোথায় অবস্থিত তা বিস্তারিতভাবে বলেননি।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রেসিডেন্ট পর পর কয়েকটি সম্পত্তিকেন্দ্রিক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন, যে সম্পত্তিগুলো তিনি ও তাঁর স্ত্রী এ্যাঞ্জেলিকা রিভেরা এবং অর্থমন্ত্রী লুইস ভিদেগারে সরকারী ঠিকাদারদের কাছ থেকে ক্রয় করেছেন।