১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছেন শিউলি


যেখানে অনেক কৃষক বেশি উৎপাদনের আশায়, বেশি লাভের আশায় ক্ষতিকারক রাসায়নিক সার ব্যবহার করে চলেছেন, সেখানে সাবিকুন্নাহার রীতিমতো লড়াই করে যাচ্ছেন রাসায়নিক সারের বিরুদ্ধে। রাসায়নিক সার ব্যবহারে উৎপাদিত ফসল নানা মারাত্মক রোগের কারণ। এতে অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হয়। আর মানুষকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানোর জন্য বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনে নরসিংদী জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে যাচ্ছেন রায়পুরা উপজেলার আদিয়াবাদ ইউনিয়নের সাবিকুন্নাহার শিউলি। রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সার ব্যবহারের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন করা গেলে মানুষকে মারাত্মক সব রোগ হতে মুক্তি দেয়া সম্ভব হবে, এমন তথ্য জানার পর থেকেই শিউলি ঝাঁপিয়ে পড়েন জৈব সার দিয়ে ফসল উৎপাদনে এবং সফলও হয়েছেন। স্বীকৃতিস্বরূপ জৈব সার কেঁচো কম্পোষ্ট উদ্ভাবনে ২০১২ সালে তিনি পেয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ কৃষির ওপর একক বঙ্গবন্ধু জাতীয় পুরস্কার। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফরের উপ-পরিচালক মোখছেদ আলী ও উপজেলা কৃষি অফিসের বিশেষ সহযোগিতায় জৈব সার কেঁচো কম্পোষ্ট তৈরিতে উৎসাহিত হন কৃষাণি শিউলি। তার দেখাদেখি নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলা, পার্শ¦বর্তী বেলাব ও শিবপুর উপজেলার প্রায় আড়াইশ’ বিঘা জমিতে বিষমুক্ত সবজি চাষ করছেন স্থানীয় কৃষক-কৃষাণিরা জৈব সার ব্যবহার করে। শিউলি তার জৈব সার কেঁচো কম্পোস্ট ব্যবহার করে ৫ বিঘা জমিতে শিম, আড়াই বিঘা জমিতে আলু ও ৪ বিঘা সরিষা করেই ক্ষান্ত হননি, এই সার ব্যবহার করতে প্রতিবেশীদের উৎসাহিতও করেছেন। আর তার উৎসাহে রায়পুরা উপজেলায় এখন রাসায়নিক সারের পরিবর্তে বেশিরভাগ কৃষকই জৈব সার ব্যবহার করছেন।

অপরাজিতা ডেস্ক