২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ই-টেন্ডারিং শুরু হলো মাউশির অধীনস্থ সব দফতরে


স্টাফ রিপোর্টার ॥ ই-টেন্ডারিং কার্যক্রম শুরু হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) আওতাধীন সকল দফতরে। বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ মাউশির অধীন সকল দফতরে ক্রয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য সামনে রেখে কার্যক্রমের শুরু করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বেসরকারী স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক বেতনভাতার সরকারী অংশ (এমপিও) বিকেন্দ্রীকরণ ও অনলাইন এমপিও পদ্ধতিও পুনরায় চালু করেন।

মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খান, সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব রতন কুমার রায় বক্তৃতা করেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তাদের কাজের স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এ সরকার প্রথম থেকে কাজ করছে। ই-টেন্ডারিং ব্যবস্থা চালুর ফলে টেন্ডার নিয়ে নানারকম জটিলতার অবসান হয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। তিনি বলেন, এখন এমপিও’র জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের ঢাকাতে আসতে হয়। অনলাইন পদ্ধতি চালু হওয়ার তার অবসান হলো। এখন নিজ নিজ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দফতরে তথ্যাদি ও কাগজপত্র জমা দিলে ত্বরিত তার সমাধান হবে। ভোগান্তি দূর হবে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে সারাদেশের এমপিও অনলাইনে করা হবে। মন্ত্রী রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও করফারেন্সিং করে অনলাইন এমপিও উদ্বোধন করেন।

হুমায়ুন আজাদের ছেলেকেও হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে মৌলবাদীরা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ উগ্র মৌলবাদীদের হামলায় আহত হয়ে মৃত্যুবরণকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, ভাষাতত্ত্ববিদ ও লেখক অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদের ছেলে অনন্য আজাদকেও ক্রমাগত হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে উগ্র মৌলবাদী জঙ্গীরা। প্রায় তিন সপ্তাহ আগে থেকে তাঁর ফেসবুক আইডিতে এ হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। সর্বশেষ গত ২২ মে অকথ্য ভাষায় অনন্য আজাদকে গালিগালাজ করা হয়। তাঁর মাথা কেটে রাজু ভাস্কর্যে ঝুলিয়ে রাখার হুমকি দেয় জঙ্গীরা। ব্রিটেনের বিখ্যাত দৈনিক ‘দ্য গার্ডিয়ান’ বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশ ব্লগার নেমড অন হিটলিস্ট ওয়ার্নড : ‘ইউ উইল বি নেকস্ট’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে ধর্মীয় মৌলবাদের সমালোচনা করায় এর আগে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। আর হুমকির পর থেকে অনন্য আজাদ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে উল্লেখ করা হয়। অনন্য আজাদকে হত্যার হুমকি অপ্রত্যাশিত কিছু নয়। কারণ, তাঁর পিতা ড. হুমায়ুন আজাদ ধর্মীয় মৌলবাদীদের সমালোচনা করে ২০০৩ সালে ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’ নামে একটি বই লিখেন। বই প্রকাশের পর ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে টিএসসিতে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে তাঁকে মারাত্মক জখম করা হয়। পরে জামার্নিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। অনন্য আজাদ তাঁর পিতার অনুসারী। সে কারণে তাঁকেও হত্যা করা হতে পারে, সেটিই স্বাভাবিক।