২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আয়েশা-আশরাফুজ্জামানের সাফল্য গাথা


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ‘২০১৩ সালে ১০০ ও ২০০ মিটারে দৌড়ে স্বর্ণ জিতেছিলাম। কিন্তু হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে ২০১৪ আসরে অংশ নিতে পারিনি। এ জন্য খুব হতাশ হয়েছিলাম। এবার ১০০ মিটারে আবারও স্বর্ণ জিতে সেই হতাশা দূর করেছি। ফিরে এসেই আবারও সাফল্য পাওয়ায় খুব ভাল লাগছে।’

কথাগুলো আয়েশা সিদ্দিকা কেয়ার। ‘একেএম শামসুজ্জোহা স্মৃতি জাতীয় জুনিয়র এ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা’র প্রথমদিনে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে যে দুটি ইভেন্ট নিয়ে সবার আগ্রহ ছিল, সেই ১০০ মিটার স্প্রিন্ট বালিকা ইভেন্টে স্বর্ণপদক পায় বিকেএসপির এ্যাথলেট আয়েশা। তার টাইমিং ছিল ১২.৭৫ সেকেন্ড।

লালমনিরহাটের মেয়ে আয়েশা ছোটবেলায় এ্যাথলেটিক্স নামটাই সম্পর্কে সেভাবে জানত না। ‘তবে দৌড়াতে ভালবাসতাম। স্কুলের খেলাগুলোতে নিয়মিত ভাল রেজাল্ট করতাম। ২০০৮ সালে স্কুল ও আন্তঃস্কুল এ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হয়েছিলাম। এই দুটি ইভেন্ট ছাড়াও লংজাম্পও খেলত আয়েশা, ‘তবে এখন আর লংজাম্প খেলে না।’ জানায় উচ্চ মাধ্যমিকের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আয়েশা।

১০০ মিটার স্প্রিন্টে স্বর্ণজয়ের লক্ষ্যে ২০ দিন ধরে অনুশীলন করেছে আয়েশা। এ প্রসঙ্গে তার ভাষ্য, ‘আরও কয়েকদিন অনুশীলন করতে পারলে ভাল হতো। তাহলে আগের বারের টাইমিংটা ঠিকই ধরে রাখতে পারতাম।’

ব্যবসায়ী বাবা আমিনুর রহমান এবং ফুটবলার ফুপা মোঃ আজিজুলের উৎসাহেই এ্যাথলেটিক্স ক্যারিয়ার বেছে নিয়েছে আয়েশা। ‘তাদের দুজনের আগ্রহেই আমি বিকেএসপিতে ভর্তি হই ২০০৯ সালে।’

কথা হয় ১০০ মিটারের বালক ইভেন্টে স্বর্ণপদকধারী বিকেএসপির স্প্রিন্টার আশরাফুজ্জামানের সঙ্গেও। ছেলেদের ইভেন্টে ১০.৯০ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্রুততম বালক হয় বিকেএসপির প্রতিযোগী আশরাফুজ্জামান। ২০১৪ সালেও এই প্রতিযোগিতার একই ইভেন্টে স্বর্ণপদক জিতেছিল সে। শুক্রবার স্বর্ণজয়ের পর আশরাফুজ্জামানের প্রতিক্রিয়া, ‘আমার কোচ আব্দুল্লাহ-আল-কাফি ও মেহেদী হাসানের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। তবে খুব বেশিদিন অনুশীলন করার সুযোগ পাইনি। আরও অনুশীলনের সুযোগ পেলে হয় তো টাইমিংটা অতিক্রম করতে পারতাম। এখন আমার লক্ষ্য ৪০০ মিটারে স্বর্ণ জেতা।’ বাগেরহাটের ছেলে আশরাফ। বাবা মুদি দোকানদার। স্প্রিন্টে তার আদর্শ ওসাইন বোল্ট এবং দূরপাল্লার দৌড়ে মোহাম্মদ ফারাহ্। ছোটবেলায় স্কুলে দৌড়ের ইভেন্টে নিয়মিত সাফল্যই তাকে নিয়ে আসে বিকেএসপিতে। ভবিষ্যত লক্ষ্য? ‘সাফ গেমসে হতে চাই দ্রুততম মানব।’

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: