২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৯ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

খালেদার আবেদনের ওপর রুলের শুনানি মুলতবি


স্টাফ রিপোর্টার ॥ দুদকের করা নাইকো গ্যাটকো ও বড়পুকুরিয়া দুর্নীতি মামলা বাতিল চেয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার করা আবেদনের ওপর রুলের শুনানি ২৪ মে রবিবার দুপুর দুইটা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে । বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট দ্বৈত বেঞ্চে শুনানি শেষে এ আদেশ প্রদান করেন। এ সময় খালেদা জিযার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী ও এ্যাডভোকেট জাকির হোসেন ভুইয়া । দুদকের পক্ষে শুনানি করেন এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ খুরশীদ আলম খান।

দুদকের আইনজীবী মোহাম্মদ খুরশীদ আলম খান জনকন্ঠকে বলেছেন খালেদা জিযার পক্ষের আইনজীবী শুনানী করার পর আমি শুরু করেছি। আমি শুনানীতে বলেছি এই রিট চলবে না। আপীল বিভাগের জাজমেন্ট আছে তার কপি আদালতে দিয়েছি। আরও বলেছি এই মামলা চলতে কোন বাধা নেই। পরবর্তী শুনানীর জন্য ২৪ মে রবিবার দুপুর দুইটা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বাড়ি নিয়ে যে মামলা ছিল তারও শুনানি শুরু হয়েছে। পরবর্তী দিন মঙ্গলবার নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় সরকারের ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। একই বছরের ৫ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। সর্বশেষ ৯ এপ্রিল হাইকোর্ট বড়পুকুরিয়া মামলার কার্যক্রম ছয় মাস স্থগিত করেন।

কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদক ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলা করে। ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এ মামলাতেও রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

চট্টগ্রাম বন্দর ও রাজধানীর কমলাপুরে কন্টেনার টার্মিনালে কন্টেনার ওঠানামার বিষয়ে ঠিকাদার নিয়োগ নিয়ে এক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে মেসার্স গ্লোবাল এ্যাগ্রোট্রেড কোম্পানি (গ্যাটকো) লিমিটেডের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়। ২০০৮ সালের ১০ জুলাই ২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন বিচারিক আদালত। ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত অথবা বাতিল প্রশ্নে রুল জারি করেন।