২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৩ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

ড্যান্ডি ডায়িং মামলায় আইনজীবী নিয়োগ দিলেন খালেদা জিয়া


কোর্ট রিপোর্টার ॥ ড্যান্ডি ডায়িং ঋণখেলাপী মামলা পরিচালনায় আইনজীবী নিয়োগ করেছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। এছাড়া আইনজীবীর সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ৩০ জুন খালেদার জবাব দাখিল ও ইস্যু (বিচার্জ বিষয়) গঠনের দিন ধার্য করেছেন ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতের বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস।

রবিবার মামলাটিতে ইস্যু গঠনের দিন ধার্য ছিল। মামলায় খালেদা জিয়া জয়নুল আবেদিন মেজবাহকে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেন। আইনজীবী জবাব দাখিল ও ইস্যু গঠনের জন্য সময়ের আবেদন জানালে আগামী ৩০ জুন পুনর্র্নিধারণ করেছেন বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস। সোনালী ব্যাংকের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন ও বাদীপক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট হোসনে আরা বেগম শুনানিতে অংশ নেন।

সোনালী ব্যাংকের দায়ের করা ৪৫ কোটি টাকা খেলাপি ঋণের এ মামলাটির আসামি ছিলেন কোকো। তিনি মারা যাওয়ায় গত ১৬ মার্চ আদালত তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদীভুক্ত করেন।

গত ৮ মার্চ খালেদাসহ অন্যদের বিবাদীভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছিলেন সোনালী ব্যাংকের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি আবেদনে বলেন, আরাফাত রহমান কোকো এ মামলার বিবাদী। তিনি মারা যাওয়ায় খেলাপী ঋণ দেওয়ানি কর্মবিধি আইনের ২২নং আদেশের নিয়ম ৪ অনুসারে তার সম্পদের ওয়ারিশরা বিবাদীভুক্ত হবেন। তাই তার ওয়ারিশ হিসেবে খালেদা জিয়া, স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদীভুক্ত করার আবেদন জানানো হয়। আদালত গত ১৬ মার্চ তা মঞ্জুর করেছেন।

কোন ছেলে না থাকায় বড় ভাই তারেক রহমানও কোকোর সম্পদের ওয়ারিশ। তবে তারেক রহমান এ মামলায় আগে থেকেই বিবাদী হওয়ায় তাকে নতুন করে বিবাদীভুক্ত করার আবেদন জানানো হয়নি।

সোনালী ব্যাংকের তরফে ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়। এতে বলা হয় বিবাদীরা ড্যান্ডি ডায়িংয়ের পক্ষে ১৯৯৩ সালের ২৪ ফ্রেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন। ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক বিবাদীদের আবেদনকৃত ঋণ মঞ্জুর করে। ২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সুদ মওকুফ করেন। এরপর ঋণ পুনঃতফসিলিকরণও করা হয়। কিন্তু বিবাদীরা ঋণ পরিশোধ না করে বারবার কালক্ষেপণ করতে থাকেন। মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সালের ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য চূড়ান্ত নোটিস প্রদান করা হলেও বিবাদীরা কোন অর্থ প্রদান করেননি।