১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মিল্ক ভিটার ভাইস চেয়ারম্যানসহ ৭ জনকে দুদকের অব্যাহতি


স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঘুষ গ্রহণের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ থেকে বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতির (মিল্ক ভিটা) ভাইস চেয়্যারম্যান শফিকুর রহমানসহ ৭ জনকে অব্যাহতি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রতিষ্ঠানটির ৫০০ অস্থায়ী শ্রমিকের তালিকাভুক্তির নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ছিল শফিকুর রহমানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। গত এক বছর ধরে এমন অভিযোগের অনুসন্ধান করে তাদের দায়মুক্তি দেয় দুদক। দুদক সূত্র জানায়, অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সম্প্রতি কমিশন শফিকুর রহমানসহ সাতজনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়।

রাষ্ট্রীয় দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুসন্ধানে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সূত্র আরও জানায়, গত বছরের জুন মাসে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আমলে নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুদক। দুদকে আসা অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটিতে ৫০০ অস্থায়ী শ্রমিকের নাম তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় মিল্ক ভিটা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, তালিকাভুক্ত করতে ঘুষ হিসেবে প্রত্যেক শ্রমিকের কাছ থেকে ১ থেকে ৩ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। ঘুষ এবং অনিয়মের অভিযোগ তুলে ২০১৪ সালের ১৮ এপ্রিল মিল্ক ভিটার শ্রমিকরা সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় এবং মিরপুর দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় বিক্ষোভ করেন।

দুদক সূত্রে আরও জানা যায়, মন্ত্রণালয় এবং সমবায় অধিদফতর থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল, ২০০০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত যারা মিল্ক ভিটায় অস্থায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন, তাদের নাম তালিকাভুক্ত করার। সে লক্ষ্যে ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে মিল্ক ভিটার ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুর রহমানকে প্রধান করে ৭ সদস্যের নিয়োগ কমিটি করা হয়। নিয়োগ কমিটির সুপারিশ ব্যবস্থাপনা পরিচালক যাচাই-বাছাই করে শ্রমিকদের তালিকাভুক্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে কথা ছিল। কিন্তু নিয়োগ কমিটি ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য না পাঠিয়েই নিয়োগের জন্য ওই বছরের ১৭ এপ্রিল ৫০০ শ্রমিকের নাম চূড়ান্ত করে। শ্রমিকরা দুদকে অভিযোগ করেন, ৫০০ শ্রমিকের মধ্যে ১৫০ শ্রমিক আছেন, যারা ২০০৮ সালের পর মিল্ক ভিটায় কাজ শুরু করেছেন। আবার এদের অনেকেই আছেন যারা কোন দিন মিল্ক ভিটায় কাজ করেননি। অভিযোগটি অনুসন্ধান করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোঃ আমিরুল ইসলাম। তার প্রতিবেদনে মিল্ক ভিটার ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুর রহমানসহ সাতজনকে এসব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।