২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

বরিশালে বরযাত্রীদের ওপর বখাটের হামলা আহত ২০


স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ উজিরপুর উপজেলার হারতা গ্রামের বরযাত্রীদের ওপর হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ২০ জনকে আহত করেছে পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠীর নেছারাবাদ নাপিতখালি গ্রামের বখাটে যুবকরা। গুরুতর আহতদের শনিবার রাতে উজিরপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় রবিবার সকালে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

জানা গেছে, হারতা গ্রামের উপেন হালদারের পুত্র শ্যামল হালদারের সঙ্গে পার্শ¦বর্তী নাপিতখালি গ্রামের প্রফুল্ল ম-লের কন্যা সনজিতা ম-লের বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের দিন ধার্য করা হয় শনিবার রাতে। সে অনুযায়ী ৩০ বরযাত্রী নিয়ে বর পক্ষ রাত আটটার দিকে কনের বাড়িতে আসে। জলখাবার শেষে বরপক্ষের এক যুবক মেয়েদের নিয়ে কনের বাড়ির পার্শ্ববর্তী দোকানের উদ্দেশে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে ওই গ্রামের মনোরঞ্জনের বখাটে পুত্র পলাশ ও তার সহযোগী শিমুল মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে। এ নিয়ে ওই যুবকের সঙ্গে বখাটেদের বাকবিত-া হয়। এ ঘটনার জের ধরে বর ও কনের বিয়ে চলাকালীন সময় রাত সাড়ে বারোটার দিকে বখাটে পলাশ ও শিমুলের নেতৃত্বে তাদের ১০-১৫ সহযোগী কনের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বরপক্ষের লোকজনদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বরপক্ষের বিউটি হালদার, বিজয় সরকার, বিপুল হালদার, হরিদাস হালদার, দিবস হালদার, বিপুল, হিমাংশু হালদার, বিপ্লব বড়াল, কিরণ সরকার, মনমথ হালদার, কনের বোন জামাতা পংকজসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। গুরুতর আহত ৫ জনকে ওইদিন রাতেই উজিরপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত বিউটি ও বিপুল জানান, হামলাকারীরা তাদের মারধর করে ব্যবহৃত স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা, ১৫টি মোবাইল সেট ছিনিয়ে নিয়েছে। তারা আরও বলেন, হামলাকারীরা বর ও কনেকে জোর করে লঞ্চে তুলে দিয়ে আমাদের তাড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয় শিক্ষক জীবন হালদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রথম ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে উভয়ের মধ্যে মীমাংসা করে দেয়া হয়েছিল। তারপরও পলাশ ও শিমুলের হামলার ঘটনাটি সত্যি অমানবিক। কনের বোনজামাতা পংকজ ম-ল বলেন, বখাটেদের হামলার ঘটনায় রবিবার সকালে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।