১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ত্রিশ হাজার মানুষের দুর্ভোগের নাম বাঁশের সাঁকো


নিজস্ব সংবাদদাতা, জামালপুর, ১৫ মে ॥ ১৩০ মিটার দৈর্ঘ্য একটি সেতুর অভাবে দুই যুগ ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে বকশীগঞ্জ উপজেলার ৮ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। মরণ ফাঁদ ওই বাঁশের সাঁকো পারাপারের সময় পড়ে গিয়ে বিগত সময়ে মারা গেছে ৩ জন। আহত হয়েছে কমপক্ষে অর্ধশত পথচারী।

জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে উপজেলা সদর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে নিলাক্ষীয়া ইউনিয়নের পাগলাপাড়া সড়কের খালের উপর এলজিইডি কর্তৃক ১৩০ মিটার সেতু নির্মিত হয়। ওই সেতুটি ১৯৮৮ সালের বন্যায় সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে যায়। সেই থেকে উপজেলা সদর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বকশীগঞ্জ উপজেলার ৮টি গ্রাম। সেতুর অভাবে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় আট গ্রামের অন্তত ৩০ হাজার মানুষ দুইযুগ ধরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। যাতায়াতের প্রয়োজনে আশপাশের লোকজন নিজেদের উদ্যোগে এবং ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় ১৩০ মিটার লম্বা নড়বড়ে ওই বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করেছেন। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শত শত স্কুল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রীসহ ৩০ হাজার মানুষ মরণ ফাঁদ খ্যাত বাঁশের এই সাঁকো দিয়ে যাতয়াত করতে বাধ্য হচ্ছে।

ইতোপূর্বে বাঁশের ওই সাঁকো দিয়ে পারাপারের সময় সেখান থেকে পড়ে গিয়ে পাগলাপাড়া গ্রামের হায়দর আলীর ছেলে ছামিজল, আমল হকের ছেলে ছোরহাব আলী, আনার আলীর ছেলে ইব্রাহীমের মৃত্যু হয়েছে।

তবুও বিকল্প সড়ক না থাকায় দুই যুগ ধরে পাগলাপাড়া, বেতমারী, শেখেরচর, গোয়ালেরচর, বোলাকিপাড়া চরিয়াপাড়াসহ ৮ গ্রামের স্কুল-কলেজগামী শত শত ছেলে-মেয়েসহ অন্তত ৩০ হাজার মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে যাতায়াত করছে।