২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মংলা ঘষিয়াখালী চ্যানেলে বাঁধ গেট ও চিংড়িঘের অপসারণ করা হয়নি


স্টাফ রিপোর্টার ॥ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলে অবৈধ বাঁধ, চিংড়িঘের এবং অপরিকল্পিত স্লুইস গেট অপসারণ করা হয়নি। ফলে ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করা এ চ্যানেল আবারও বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সীমিত পরিসরে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় চ্যানেলটি চালু করেছে। আগামী মাসে পুরোদমে মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার শতভাগ বাস্তবায়ন দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। স্থানীয়রা বলছেন, মংলায় অপরিকল্পিত চিংড়িঘেরে সরকারী খালে উঠে আসা জোয়ারের পানি আটকে রাখায় ভাটার সময় পানির প্রবাহ কমে যায় এ চ্যানেলে। এভাবে ধীরে ধীরে নাব্য সঙ্কটে নৌচলাচলও এক সময় বন্ধ করে দিতে হয়। প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর আওতায় চ্যানেলটির খননকাজ চলছে। কিন্তু চ্যানেলটি বাঁচিয়ে রাখার আন্তরিকতায় কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার অভিযোগ রয়েছে। নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি ‘জাতীয় অর্থনীতিতে মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথের গুরুত্ব’ শীর্ষক এক সেমিনারে শুক্রবার বক্তারা বিআইডব্লিউটিএ, পাউবো, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথের সঙ্গে যুক্ত ২৩৩টি খালের সকল অবৈধ বাঁধ অপসারণ ও চিংড়িঘের উচ্ছেদ করার দাবি জানান। সেমিনারে বলা হয়, ১৯৭৪ সালে লুপ কার্টিং ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ঘষিয়াখালী থেকে রামপাল উপজেলার বেতিবুনিয়া পর্যন্ত ছয় দশমিক পাঁচ কিলোমিটার সংযোগ খাল খননের মধ্য দিয়ে চালু করা হয় মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ। এর মূল লক্ষ্য ছিল সুন্দরবনকে অক্ষত রাখা এবং মংলা সমুদ্রবন্দরের পণ্য আনা-নেয়ার ক্ষেত্রে স্বল্প দূরত্বের বিকল্প পন্থা আবিষ্কার।