১৯ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সিদ্ধিরগঞ্জে চাঁদাবাজ ধরতে সড়কে সিসি ক্যামেরা


নিজস্ব সংবাদদাতা, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ১৪ মে ॥ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকার স্পর্শকাতর স্পটে চাঁদাবাজি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসির কক্ষে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা উদ্বোধন করেন- নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদউদ্দিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ জাকারিয়া, সহাকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল-ক) ফোরকান শিকদার, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মু. সরাফতর উল্লাহ ও ওসি (তদন্ত) মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

জানা যায়, শিমরাইল এলাকাটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একটি স্পর্শকাতর এলাকা। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ১৮ জেলার প্রধান ৩৩ রুটের দূরপাল্লার যানবাহন এ স্থান দিয়ে চলাচল করছে। এতে শিমরাইল মোড়ের বিভিন্ন স্পটে চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হয়ে আসছে। চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারীসহ অপরাধীদের শনাক্ত করতে শিমরাইল মোড় থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত ৮টি ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ৪টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো হয়েছে। শিমরাইল মোড়ের বিভিন্ন ব্যাংকের সামনে, রাস্তাঘাট, ট্রাকস্ট্যান্ড, মার্কেট ও মহাসড়কটি এখন থেকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় আওয়ায় আনা হয়েছে বলে ওসি জানায়। নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদউদ্দিন সিসি ক্যামেরা উদ্বোধনের সময় বলেন, সিসি ক্যামেরার সাহায্যে ওসির কক্ষ থেকেই চাঁদাবাজসহ বিভিন্ন অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। পর্যায়ক্রমে সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। ক্যামেরাগুলো সর্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। এতে আমাদের ফোর্স নিয়মিতভাবে কাজ করবে। কোন ক্যামেরা বন্ধ হলেই সঙ্গে সঙ্গে আমাদের টিম গিয়ে সেটি তদারকি করবেন।

ফরিদপুরের পাট ব্যবসায়ীর আট দিনেও সন্ধান মেলেনি

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরিদপুর, ১৪ মে ॥ গত আট দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন ফরিদপুরের পাট ও ভুসিমাল ব্যবসায়ী অনুকুল চন্দ্র সাহা (৫৮)। গত ৬ মে বুধবার ভোর পাঁচটার দিকে তিনি ঢাকা যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। বিকেলেই তার বাড়ি ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু গত আটদিনও তাঁর কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। ওইদিন দুপুর দেড়টার পর থেকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ রয়েছে।

অনুকুল সাহা ফরিদপুর শহরের চকবাজার এলাকায় পাট ও ভুসিমালের ব্যবসা করেন। তিনি শহরের ঝিলটুলী মহলার খন্দকার সেলিম সড়কের বাসায় স্ত্রী ও একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বসবাস করেন।