২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আজব হলেও গুজব নয়


যমজ সন্তানের পৃথক বাবা

যমজ সন্তানের ভরণ-পোষণের জন্য এক নারীর করা এক মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত বিস্ময়কর রায় দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসেইক প্রদেশের উচ্চ আদালতের বিচারক সোহেল মোহাম্মেদ গত সোমবার এ বিস্ময়কর রায় দেন। রায়ে বলা হয়, ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে, যার বিরুদ্ধে এ মামলা তিনি ওই নারীর যমজ সন্তানের একজনের বাবা। তাই ওই ব্যক্তিকে যে কোন একটি সন্তানের ব্যয়ভার বহন করতে হবে। টাইমস অব ইন্ডিয়া এক অনলাইন প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করেছে। এ ধরনের দুটি মামলায় এর আগে সম্মুখীন হয়েছিলেন বলে বিচারক উল্লেখ করেন। বিচারক ওই ব্যক্তিকে এক সন্তানের ভরণ-পোষণের জন্য প্রতি সপ্তাহে ২৮ মার্কিন ডলার দেয়ার আদেশ দেয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ধরনের ঘটনা তখনই ঘটতে পারে যখন কোন নারী একই মাসিক চক্রে দুটি পুরুষের সঙ্গে যৌনমিলন করেন এবং তার গর্ভাঙ্গে দুটি ডিম্বানু আলাদাভাবে দুটি পুরুষের শুক্রাণুর সঙ্গে নিষিক্ত হয়। আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার সময় ওই নারী স্বীকার করেন, তিনি ওই সময়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দু’জন পুরুষের সঙ্গে যৌনমিলন করেছিলেন। প্যাসেইক প্রদেশের ওই নারী ২০১৩ সালে যমজ সন্তানের জন্ম দেন। এরপর এই যমজ সন্তানদের ভরণ-পোষণের জন্য এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেন।

দড়িতে হেঁটে বিয়ে

নিজের ভালবাসাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রত্যেক প্রেমিকেরই থাকে। মনে মনে সে চেষ্টাও করেন অনেকে। তবে এ উচ্চতার কথা নেহাত ভাবগত। কেউ যে সেটাকে আক্ষরিক অর্থে কাজে লাগাবে, তা কি কেউ ভেবেছে! কিন্তু নিজেদের বিয়েতে এমন কিছুরই পরিকল্পনা করছেন ব্রিটেনের ক্রিস বুল এবং ফোয়েবি বেকার। শুক্রবার সমারসেটে দাওয়াত খেতে আসা শ’খানেক অতিথির চেয়ে ৮০ ফুট উঁচুতে থেকে বিয়ে করার পরিকল্পনা তাদের। ব্রিস্টলের হ্যানহ্যামের বাসিন্দা এ যুগল বিশেষ দিনটিতে ২৬০ ফুট উঁচুতে হাঁটার জন্য দড়ি টাঙানোর যন্ত্রপাতিও সংগ্রহ করছেন। আর বিয়ে পড়ানোর দায়িত্ব পেয়েছেন একজন রিংমাস্টার। মেগাফোনে মন্ত্র উচ্চারণ করবেন তিনি। ঝুলন্ত অবস্থায় আংটিও বদল করবেন তারা। অবশ্য আগেভাগেই ছোট্ট একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ের যাবতীয় কাজ সেরে রেখেছেন ক্রিস-ফোয়েবি।

বিয়ের ‘এ্যাক্রোবেটিক’ আনুষ্ঠানিকতাকে ঐতিহাসিক বানাতে রিহার্সালও করছেন তারা। কনে ফোয়েবি বেকার পেশায় একজন দর্জি। তিনি বলেন, কিসের সঙ্গে পরিচয়ের পর আমরা প্রায়ই দড়ির ওপর হাঁটতাম। তখনই এ পরিকল্পনা করি। করবেন নাইবা কেন, হবু বর যে পেশায় একজন দড়াবাজ! ব্রিটেনে এভাবে বিয়ে এটাই প্রথম। আর বিয়ের ভেন্যুর মালিক গ্যারি কোটলে একজন সাবেক সার্কাস মালিক হওয়ায় তিনিও ব্যাপক খুশি। কারণ, তার খামারে আগেও বিয়ের আয়োজন হয়েছে বটে, তবে এমন উদ্ভট নয়। মূলত গ্যারির আত্মজীবনী পড়েই এমন বিয়ের ব্যাপারটি তাদের মাথায় আসে। দড়ির ওপর হাঁটার জন্য বিয়ের গাউনটিও বিশেষভাবে বানিয়েছেন রোমাঞ্চপ্রিয় ফোয়েবি।

সাত-সতেরো প্রতিবেদক