১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

অস্ত্রোপচার-বাংলাদেশ সফরে অনিশ্চিত শামি


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ইনজুরি-অপারেশনে বাংলাদেশ সফরে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছেন তুখোড় ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ শামি। দুর্দান্ত বোলিং করে দলকে সেমিতে তুলে নেয়ার অন্যতম রূপকার বিশ্বকাপ থেকেই ভুগছিলেন হাঁটুর যন্ত্রণায়। শেষ পর্যন্ত দিল্লী ডেয়ারডেভিলসের হয়ে আইপিএলের চলতি আসরে মাঠেই নামতে পারেননি। ইনজুরি নিয়ে বড় একটা শঙ্কা ছিল, সেটিই সত্যি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত শল্যবিদের ছুরির নিচে যেতে হয়েছে বাংলার ২৫ বছর বয়সী এই তারকাকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ঠিকমতো সেরে উঠতে ১ মাস সময় লাগবে, যার অর্থ বাংলাদেশ সফরে অনিশ্চিত ভারতের সময়ের সেরা এই পেসার। ১০ জুন ফতুল্লায় টাইগারদের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট খেলবে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত।

৮ এপ্রিল আইপিএল শুরুর সপ্তাহখানেক পরই জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন শামি। লক্ষ্য, কোনরকম ঝুঁকি না নিয়ে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলা। বাধ্য হয়ে দিল্লী তার পরিবর্তে অন্য খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত করে। মঙ্গলবার মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধীর ভাই আম্বানি হাসপাতালে হাঁটুতে সফল অস্ত্রোপচার হয় শামির। একদিন পরই হাসপাতাল থেকে ব্যবস্থাপত্র নিয়ে বাড়ি ফেরেন জাতীয় জার্সিতে ১২ টেস্ট ও ৪৭ ওয়ানডে খেলা গতি তারকা। ডাক্তারের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, পুরোপুরি সুস্থ হতে অন্তত ১ মাস সময় লেগে যাবে। যার অর্থ, বাংলাদেশ সফরে অনেকটাই অনিশ্চিত তিনি। ১০ জুন থেকে ফতুল্লায় একমাত্র টেস্ট খেলতে নামবে সফরকারী ভারত। এরপর ১৮, ২১ ও ২৪ তারিখ ঢাকায় তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ।

হাঁটু ঠিক হলেও অনুশীলনে ফিরে ফিটনেস ফিরে পেতে কতটা সময় লাগবে সেটিও ভবিষ্যতের ওপর নির্ভর করছে। সুতরাং বাংলাদেশ সফরে শামি আদৌ কোন ম্যাচ খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে থাকছে সংশয়। শামির বাবা তৌসিফ আহমেদ বলেন,‘আল্লার কাছে শুকরিয়া যে অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। আশা করছি মাসখানেকের মধ্য সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে পারবে ও। বাংলাদেশ সফরে খেলতে পারবে কি না, জানি না। তবে আমরা তাড়হুড়া করতে চাই না। হাঁটুর যন্ত্রণায় বেশ কিছুদিন ধরেই কষ্ট পাচ্ছিল। পুরোপুরি ফিট শামি ভারতের জন্য খুবই জরুরী, আমরা সেটাই চাইছি।’

৬ নবেম্বর ২০১৩Ñ গ্রেট শচীন টেন্ডুলকরের বিদায়ী সেই সিরিজে ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেক ২৩ বছর বয়সী শামির। সাদা পোশাকে জীবনের প্রথম ম্যাচেই ৯ (৪+৫) উইকেট নিয়ে দলের সাফল্যে রেখেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ। বাংলার পেসারকে এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। তার আগে ওই বছরই জানুয়ারিতে ওয়ানডে অভিষেক। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এবারের বিশ্বকাপে হাঁটুতে চোট নিয়েই অসাধারণ বোলিং করেন। ভারতের সেমিতে জায়াগা করে নেযার পেছনে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান তার। ৭ ম্যাচে তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৭ উইকেট শামির। ক্যারিয়ারে ৪৭ ওয়ানডেতে শিকার ৮৭, ১২ টেস্টে ৪৭। সুতরাং এমন দুর্দান্ত পেসারকে নিয়ে ভারতীয় বোর্ডও (বিসিসিআই) ঝুঁকি নিতে চাইবে না।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: