১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আন্দোলনের নামে পুড়িয়ে মানুষ হত্যাকারীদের বিচার হবেই ॥ আওয়ামী লীগ


স্টাফ রিপোর্টার ॥ যারা আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে তাদের প্রত্যেকের বিচার হবে, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ইউনাইটেড ইসলামিক পার্টি আয়োজিত ‘গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার্থে আলেম ওলামাদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া একাত্তরের ঘাতক জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে আল কায়েদাসহ বাংলাদেশে সকল জঙ্গী সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন। ইউনাইটেড ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসাইনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান প্রমুখ।

হাছান মাহমুদ বলেন, সমাজে রাজনীতির নামে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করার এই বীভৎসতা ভবিষ্যতের জন্য যদি চিরতরে বন্ধ করতে হয় তাহলে অবশ্যই খালেদা জিয়ার বিচার হতে হবে। ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বাংলামোটর মোড়ে গাড়িচাপা দেয়ার অভিযোগে খালেদার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মামলা করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষকে গাড়িচাপা দেয়ার জন্য অভিনেতা সালমান খানের জেল হলে খালেদা জিয়ার শাস্তি হবে না কেন? তিনি বলেন, উনার (খালেদা) পাশে কিছু লোক আছেন, যারা বলেন নারী নেতৃত্ব হারাম। তবে খালেদা জিয়ার পাশে বসলে তাদের খুব আরাম। নির্বাচন আসলে যারা ইসলামের কথা বলে তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে এ যাবত যত জঙ্গী ধরা পড়েছে, তারা শিবির অথবা জামায়াত করত। আসলে আল কায়েদা ও হুজির মতো গোপন সংগঠনগুলোর প্রকাশ্য সংগঠন জামায়াত। গণতন্ত্রের আলখাল্লা ধারণ করে বিএনপি জামায়াতকে সাথে নিয়ে আল কায়েদাসহ জঙ্গীসংগঠনগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা করছে। তাদের (বিএনপি) আলখেল্লা খুলে ছুড়ে ফেলে দিতে হবে। তিনি বলেন, যারা মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, মানুষকে কষ্ট দিয়েছে শেখ হাসিনা তাদের বিচার করবে। যত বড় নেতাই হোক না কেন বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রত্যেকটি বিভাগীয় শহরে ট্রাইব্যুনাল হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, গত পাঁচ জানুয়ারি থেকে টানা ৯২ দিন মানুষ পোড়ানের আন্দোলন হলো। কিন্তু অবরোধের আন্দোলন হয়নি। অবরোধের সময় অবরোধ আহ্বানকারী কাউকেই রাস্তায় দেখা যায়নি। এটা কোন্ আন্দোলন? কোন্ গণতন্ত্র? তিনি বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামে জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসের কোন স্থান নেই। মানুষ পুড়িয়ে মারার কোন অবকাশ নেই। যারা পুড়িয়ে মারেন তারা কোন্ ধর্মে বিশ্বাস করেন? আসলে তারা মানুষ নামধারী অমানুষ? তাদের বিচার করার দিন এসেছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: