২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

আইসল্যান্ডের জেনেটিক ম্যাপিং


আইসল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা বলছেন, তারা কার্যত তাদের গোটা দেশেরই জেনেটিক কোডের ম্যাপিং করে ফেলেছেন। এই প্রকল্পে নেতৃত্ব দিয়েছে ডিকোড জেনেটিকস নামে একটি সংস্থা। আর এতে সে দেশের এক লাখেরও বেশি মানুষের ডিএনএ ডেটার সঙ্গে ফ্যামিলি ট্রির তথ্য মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে এক অভিনব ডেটাবেস।

বিশ্বের কোন দেশের প্রায় গোটা জনসংখ্যার জেনেটিক সিকোয়েন্সিংয়ের এমন মানচিত্র আগে কোথাও কখনও করা হয়নি।

ডিকোড জেনেটিকসের সিইও এবং স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর কারি স্টেফানসন বলেন, যে ধরনের মিউটেশনের ফলে বহু পরিচিত রোগ হতে পারে, সেটা খুঁজে বের করতে আমরা এই ম্যাপ কাজে লাগাচ্ছি। জনসংখ্যার ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করতে কিংবা মানুষের বিবর্তনের প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতেও কাজে লাগানো হচ্ছে এই ম্যাপ।

তবে এর যে সম্ভাবনা নিয়ে আমরা সবচেয়ে উত্তেজিত এবং যেটা বাকি দুনিয়াতেও কাজে লাগানো যাবে, তা হলো এই ডেটাবেস ব্যবহার করে পুরো দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবাকেই অনেক কার্যকরী করে তোলা যাবে।

যেমন ধরা যাক, দেশের কোন কোন মহিলার স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি তা আঙ্গুলের একটা ছোঁয়াতেই জানা যাবে এই ডেটাবেস থেকে।

পুরো দেশের জেনেটিক ম্যাপ ঠিক এই কাজটাই করতে পারে। কাদের মধ্যে নির্দিষ্ট কোন রোগের সম্ভাবনা বেশি, তা আগে থেকে আঁচ করে তার প্রতিকারের রাস্তা করে দিতে পারে। তবে আইসল্যান্ডের মতো একটি ছোট দ্বীপরাষ্ট্রে যা সম্ভব, কোটি কোটি মানুষের বিশাল কোন দেশে সেটা করে দেখানো অবশ্য বিজ্ঞানীদের জন্য এখনও বিরাট চ্যালেঞ্জ।