২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

পশ্চিমবঙ্গে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১১


অনলাইন ডেস্ক॥ পশ্চিমবঙ্গের একটি বে আইনী বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ফলে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশ বলছে পশ্চিমমেদিনীপুর জেলার পিংলায় ওই বিস্ফোরণ হয় বুধবার রাতে।

স্থানীয় গ্রামবাসীদের দাবী, মৃতের সংখ্যা আরও বেশী, অনেকে এখনও নিখোঁজ।

আহত হয়ে অনেকে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন – যাদের মধ্যে তিনজনের আঘাত গুরুতর।

পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারিন্টেডেন্ট ভারতী ঘোষ জানিয়েছেন যে বাড়িতে ওই কারখানাটি চলত, তার মালিক রঞ্জন মাইতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কারখানার মালিক রাম মাইতি আর তাঁর স্ত্রী বিস্ফোরণেই মারা গেছেন।

স্থানীয় সাংবাদিকরা বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পেয়েছেন যে বাড়িটির চারদিকে দেহাংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

গ্রামের মানুষ বলছেন কয়েকটি মৃতদেহ ছিটকে পাশের একটি পুকুরে গিয়ে পড়েছে।

বাজি কারখানাটি বে আইনী ভাবেই চলত আর সেটা পুলিশকে একাধিকবার জানানোও হয়েছিল বলে গ্রামবাসীদের দাবী।

বাজি তৈরীর আড়ালে কারখানাটিতে দেশী বোমাই বেশী তৈরী হত, যেগুলি সারা রাজ্যেই পাচার করা হত বলে স্থানীয় সূত্রগুলি নিশ্চিত করেছে।

কলকাতা থেকে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল ঘটনাস্থলে যাচ্ছে – ঠিক কী কী ধরণের বিস্ফোরক ওই কারখানায় ব্যবহৃত হত সেটা খতিয়ে দেখতে।

যদিও পুলিশ বলছে এটা বে আইনী বাজি কারখানা, তবে বিরোধী দলগুলি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তদন্তের দাবী তুলতে শুরু করেছে।

কারণ হিসাবে তারা বলছে গতবছর বর্ধমান জেলার খাগড়াগড়ে এরকমই একটি বিস্ফোরণের গুরুত্ব প্রথমে স্থানীয় পুলিশ বুঝতেই পারে নি।

পরে ওই বিস্ফোরণের তদন্তে নামে ভারতের সন্ত্রাস-মোকাবিলা এজেন্সি এন আই এ।

তাদের তদন্তেই বেরিয়ে আসে খাগড়াগড়কে কেন্দ্র করে চলতে থাকা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের তথ্য।

সূত্র: বিবিসি বাংলা