২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

অভিনেতা রক ওরফে ডোয়েইন জনসন


জন্ম রেসলার পরিবারেই। ডোয়েইন জনসন তার পরিবারের থার্ড জেনারেশনের রেসলার। জন্ম ক্যালিফোর্নিয়ায় হলেও ছোটবেলা কেটেছে সমগ্র আমেরিকাতেই। কারণ বাবার রেসলিং খেলার ভেনু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জনসনের থাকার জায়গাও পাল্টাত। এতে অবশ্য সমস্যাও হতো। যেমন এক জায়গায় বেশিদিন না থাকার ফলে বন্ধুত্ব¡ বেশিদিন স্থায়ী হতো না। আবার অনেক সময় কিছু স্কুলের বন্ধু টিপ্পনিও কাটত তার বাবার পেশা নিয়ে। এতে মাঝে মাঝেই মারামারি বেধে যেত। হয়ত এসব থেকে বাঁচতেই একসময় শুরু করলেন ফুটবল খেলা। তবে ফুটবল খেলা ছাড়ার পেছনে পিঠের ইনজুরি একটা বড় কারণ ছিল। আর তিন পুরুষের রেসলারের রক্ত বলে কথা। ফিরে আসা সেই রেসলিং এ। নাম নিলেন রকি মায়াভিয়া। ভক্তরা নাম দিলেন ‘দ্য রক’।

’৯০-এর দশকের রেসলিংয়ের ভক্ত যারা তারা কি কখনও ভুলতে পারবে রকের সেই ভ্রু কুঁচকে থাকা চাহনির কথা? জনসন তথা রক ছিল সবার প্রিয় রেসলার। সে সময় রিং-এর মাঝে আন্ডারটেকার, ট্রিপল এইচ, কেন, ক্রিস বেনোয়াট, অস্টিনসহ অনেকে থাকলেও রকের জনপ্রিয়তা ছিল আকাশচুম্বী। ঝোলায় ভরেছেন একাধিক চ্যাম্পিয়ন বেল্ট। স্থান পেয়েছেন লন্ডনের মাদাম তুসো মিউজিয়ামে, মোমের প্রতিমায়। পাশাপাশি লিখেছেন নিজের জীবনী ‘দ্য রক সেইস’ যেটি কিনা নিউইয়র্ক টাইমসের বেস্ট সেলার লিস্টে ছিল বেশ ক’সপ্তাহ। এ বইয়ে উঠে এসেছে জনসনের পূর্ব পুরুষদের রেসলিং খেলার ইতিহাস, নিজের স্বপ্ন, অর্জন, প্রতিবন্ধকতা ইত্যাদি নানা বিষয়।

সে সময় থেকেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল জনসনের বড় পর্দার অভিষেক নিয়ে। বিশেষ করে সমালোচকরা জনসনের মাঝে দেখতে পাচ্ছিল পরবর্তী শোয়ার্জনিগারের প্রতিচ্ছবি। আর সকল গুঞ্জনকে বাস্তবে পরিণত করে বড় পর্দায় আগমন জনসনের। এ্যাকশন, থ্রিলার, অ্যাডভেঞ্চার ঘরানার ছবিতে যুক্ত হলো নতুন মাত্রা। বড় পর্দায় জনসনের প্রথম উপস্থিতি ২০০১ সালে কয়েক মিনিটের জন্য ‘দ্য মাম্মি রিটার্নস’ ছবিতে। পরবর্তীতে প্রযোজকরা ভাবলেন শুধু জনসনের কথা মাথায় রেখেই একটা ছবির কাজ শুরু করা যায় কিনা, যেই ভাবা সেই কাজ। নির্মিত হলো ‘স্করপিয়নস কিং’ যা ২০০২ সালে প্রথম সপ্তাহেই আয় করেছিল ৩৬ মিলিয়ন ডলার। পরবর্তীতে একই ধারাবাহিকতায় মুক্তি পায় ‘রান ডাউন’।

মধ্য ২০০০-এ জনসন পুরোপুরি একজন অভিনেতা। অভিনয় করলেন ‘ওয়কিং টল’ ছবিতে ,যেখানে ড্রাগসংক্রান্ত জটিলতায় জড়িয়ে পরে জনসন। এছাড়াও একে একে অভিনয় করেছেন বি কুল, পানেট ৫১, গেট শর্টি, গেট স্মার্ট, হারকিউলিস এবং সর্বশেষ ফিউরিয়াস সেভেন। এ ছবির কো স্টার পল ওয়াকারকে চিরতরে হারিয়েছেন। এ সম্পর্কে জনসন বলেন, ‘পল ছিল একজন স্বভাব অভিনেতা যে পরিচালকের খুব অল্প ব্রিফেই সে রিসিভ করে ফেলতে পারেন। যা হোক গত ২ মে ছিল এ অভিনেতার জন্মদিন। প্রতিনিয়ত নিজের কাজকে ছাপিয়ে যাক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

আনন্দকণ্ঠ ডেস্ক