২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মতিঝিল থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে অপহরণের অভিযোগ


স্টাফ রিপোর্টার ॥ সিটি নির্বাচনের পরদিন বুধবার রাতে রাজধানীর মতিঝিল থেকে প্রতিপক্ষরা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা কেএম আরমানকে (৪০) তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা দক্ষিণের সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক। এ ঘটনায় মতিঝিল থানায় একটি জিডি করেছেন তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানা।

আরমানের স্ত্রী নিগার সুলতানা বলেন, তিনি কোথায় আছেন, কেমন আছেন- এই নিয়ে পুরো পরিবার আতঙ্কিত ও চিন্তিত। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি সাংবাদিকদের জানান, বুধবার রাতে কয়েক ব্যক্তি মতিঝিলের দৈনিক বাংলা মোড় এলাকা থেকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে আরমানকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। কথা সেখানকার লোকজন তাঁকে জানিয়েছে। নিগার সুলতানা জানান, ঘটনার আগে রাত আটটা পর্যন্ত আরমান আরএস ভবনে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছিলেন। পরে কে বা কারা তাঁকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। রাতেই তিনি মতিঝিল থানায় একটি জিডি করেছেন। মতিঝিল থানার ওসি বিএম ফরমান আলী জানান, তিনি (আরমান) কোথায় আছেন তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

নিগার সুলতানা জানান, প্রতিদিনের মতো আরমানকে মোবাইল করলে সে লাইন কেটে কল দেয়। বুধবার রাত আটটায় তাকে ফোন করলেও পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তার অফিসে যোগাযোগ করা হয়। এ সময় তিনি জানতে পারেন, একটি টেলিফোন কল পেয়ে তিনি দৈনিক বাংলা মোড়ে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি মাইক্রোবাসে তাকে জোর করে তুলে নেয় দুর্বৃত্তরা। সংবাদ পেয়ে তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ করে। পুলিশ আরমানের অবস্থান জানার চেষ্টা চালায়। মোবাইল ফোট ট্র্যাক করে পুলিশ তাৎক্ষণিক জানতে পারে কাকরাইলের পাইওনিয়ার রোডের কোন এক জায়গায় আরমানের মোবাইল রয়েছে। তবে পুলিশ সঠিক জায়গাটি চিহ্নিত করতে পারেনি। আরমানের স্ত্রী আরও জানান, তিন মাস আগে মোবাইলে এসএমএসে আরমানকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল। তিনি জানান, সিটি নির্বাচনে আরামবাগে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মোমিনুল হক সাঈদের পক্ষে তিনি ব্যাপক কাজ করেন আরমান। এতে ক্ষুব্ধ ছিলেন প্রতিপক্ষের লোকজন। আর এই কারণে আরমানকে তুলে নিয়ে গিয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ নিগার সুলতানা।

ভোটে আরামবাগ থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন একেএম মমিনুল হক সাঈদ। ওই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ নেতা মোরশেদুর প্রার্থী হলেও পরে তারা দল সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে সাঈদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়।