২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ভয়াল যত ভূমিকম্প


মে ২২, ১৯৬০ : ৯.৫ মাত্রার ভয়াবহ শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে চিলিতে। এতে ১ হাজার ৭১৬ জন নিহত হন।

মার্চ ২৮, ১৯৬৪ : এই দিন ৯.২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে আলাস্কায়। এতে ১৩১ জনের মৃত্যু হয়। এর সঙ্গে ছিল সুনামি, যাতে ১২৮ জন প্রাণ হারায়।

ডিসেম্বর ২৬, ২০০৪ : ৯.১ মাত্রার ভূকম্পন ও এর সঙ্গে ভারত মহাসাগরে সুনামি। ভয়াবহ ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণ হারায় ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষ।

মার্চ ১১, ২০১১ : ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে জাপানে, সঙ্গে প্রাণঘাতী সুনামি। এতে প্রাণ হারায় ১৮শ’ মানুষ।

নবেম্বর ৪, ১৯৫২ : ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে রাশিয়ায়।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১০ : ৮.৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত আনে চিলিতে, যাতে ৫২৪ জন নিহত হয়।

জানুয়ারি ৩১, ১৯০৬ : ৮.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ইকুয়েডরে। এতে ৫০০ মানুষ নিহত হয়।

মার্চ ২৮, ২০০৫ : ভয়াবহ সুনামি ও ৮.৬ মাত্রা ভূমিকম্প আঘাত হানে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায়। এতে ১৩শ’ মানুষ প্রাণ হারায়।

আগস্ট ১৫, ১৯৫০ : তিব্বতে ৮.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত হয় ৭৮০ জন।

এপ্রিল ১১, ২০১২ : ৮.৬ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামি আঘাত হানে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায়। এর আগে সুনামির পূর্বাভাস ছিল।

মার্চ ৯, ১৯৫৭ : সুনামিসহ ৮.৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে আলাস্কায়।

সেপ্টেম্বার ১২, ১৯০৭ : ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায়, যাতে ২৫ জন নিহত হয়।

ফেব্রুয়ারি ১, ১৯৩৮ : ইন্দোনেশিয়ার বেন্দা সাগরে ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামি আঘাত হানে।

নবেম্বর ১১, ১৯২২ : চিলি ও আর্জেন্টিনায় ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে।

অক্টোবর ১৩, ১৯৬৩ : রাশিয়া ও জাপানের মাঝে অবস্থিত কুরিল দ্বীপে ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামি আঘাত হানে।

সূত্র : যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ

রিখটার স্কেলের মাপ

ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপতে রিখটার স্কেল ব্যবহার করা হয়। ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে ১৯৩৫ সালে চার্লস ফ্রান্সিস রিখটার ও বেনো গুটেনবার্গ ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপতে এই স্কেলের ব্যবহার শুরু করেন। তবে ১৯৭০ সাল থেকে ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপতে মোমেন্ট ম্যাগনিচিউড স্কেলের (এমএমএস) ব্যবহারও শুরু হয়। এই স্কেলের প্রথম ব্যবহার করে ‘ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে।’ সাধারণ মানুষের মধ্যে রিখটার স্কেলের জনপ্রিয়তাই বেশি। রিখটার স্কেল আসলে লগ স্কেল। এই হিসাবে কোন ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট তরঙ্গগুলোর মধ্যে রেকর্ড করা সবচেয়ে বেশি এ্যামপ্লিচিউড (ব্যাপকতা), ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে সিসমোগ্রাফ (ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র) যন্ত্রের গড় দূরত্ব ইত্যাদি ব্যবহার করে ভূমিকম্প থেকে নির্গত শক্তির পরিমাপ করা হয়। এই স্কেলের লগের বেস ১০ ধরা হয়। ফলে রিখটার স্কেলে কোন ভূমিকম্পের মাপ ১, আর কোন ভূমিকম্পের মাপ ২ এলে দ্বিতীয়টি প্রথমটির থেকে দশগুণ শক্তিশালী হবে।