১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নেপালের জন্য চাই ৪১ কোটি ডলার


ভয়াবহ ভূমিকম্প থেকে রক্ষা পাওয়া লাখ লাখ নেপালীকে ভূমিকম্প পরবর্তী দুর্যোগ থেকে রক্ষার জন্য ত্রাণ তৎপরতা জোরদার করা দরকার, বলেছে জাতিসংঘ। বুধবার বিশ্ব সংস্তাটি ভূমিকম্প বিধ্বস্ত নেপালের জন্য ৪১ কোটি ৫০ লাখ ডলার সহায়তা দেয়ার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে আবেদন জানিয়েছে। অপরদিকে ভূমিকম্প থেকে রক্ষা পাওয়া নেপালীরা ত্রাণ সরবরাহের ধীর গতিতে ক্রমেই অধৈর্য হয়ে পড়ছেন। খবর বিবিসি ও ওয়েবসাইটের।

শনিবার ৭ দশমিক ৮ মাত্রার প্রবল ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় নেপাল। এতে রাজধানী কাঠমান্ডুর হাজার হাজার ঘরবাড়ি ধসে পড়ে, আর পর্বতময় দেশটির প্রত্যন্ত এলাকার ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ঘটনার পাঁচদিন পরও পুরোপুরি উন্মোচিত হয়নি। বৃহস্পতিবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৫,০০০ ছাড়িয়ে গেছে। গত ৮০ বছরের মধ্যে এটি ছিল নেপালে সংঘটিত সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প। জাতিসংঘের হিসাব মতে, ভূমিকম্পে দেশটির ৮০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে অন্তত ২০ লাখ মানুষের আগামী তিন মাসের জন্য জরুরীভিত্তিতে তাঁবু, পানি, খাবার ও ওষুধ দরকার বলে জানিয়েছে বিশ্ব সংস্তাটি। নেপালে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি ও সমন্বয়কারী জ্যামি ম্যাকগোল্ডরিক বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, এসব ত্রাণ দেয়া কখন শুরু করা যাবে তাই এখন মূল বিষয়। এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ সাড়া পাওয়া গেছে তাতে আমি আশাবাদী, এই উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত সবার কাছে প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো পৌঁছে দেয়ার জন্য তৎপরতা জোরদার করতে হবে, বিশেষভাবে যারা প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে আছে তাদের কাছে। ভূমিকম্পের চারদিন পরও ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে প্রয়োজনীয় ত্রাণ না পৌঁছানোতে দুর্গতদের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভের মুখে এই আবেদন জানিয়েছেন ম্যাকগোল্ডরিক। জাতিসংঘের হিসাব মতে, নেপালের ৭৫টি জেলার মধ্যে ৩৯টি জেলার ৭০,০০০ ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং আরও ৫,৩০,০০০ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে লাখ লাখ মানুষ ঠাণ্ডা ও বৃষ্টির মধ্যে খোলা আকাশের নিচে কোন রকমভাবে তৈরি করা আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন।