২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

লৌহজংয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে হামলা, ভাংচুর অগ্নিসংযোগ


স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ লৌহজং উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের হাঁড়িদিয়া গ্রামে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর, লুটপাট ও বাড়ির উপরে থাকা মাজার শরীফের গোডাউনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খাস জমি দখলের বিরোধ নিয়ে সংঘর্ষের জের ধরে প্রতিপক্ষরা আগুন দিয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেছেন।

গত শনিবার লৌহজংয়ের গাঁওদিয়া ইউনিয়নের বড় মোকামবাজার এলাকায় সরকারী খাস জমিতে কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নিয়ে গাঁওদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাবুব আলম হিমু সিকদার পক্ষ ও জাহিদ দেওয়ান পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আওয়ামী লীগ নেতার পরিবারের সদস্যরা জানান, এ ঘটনায় লৌহজং থানায় পৃথক তিনটি মামলা রুজু করা হয়। এরপর থেকে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এর জের ধরেই প্রতিপক্ষ জাহিদ দেওয়ান গং তাদের বসতবাড়িতে ভাংচুর, লুটপাট ও বাড়ির উপরে থাকা আমজাদ শাহর মাজার শরীফের একটি গোডাউনে আগুন লাগিয়ে সটকে পড়ে। বাড়িতে থাকা মাজার শরীফের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা সামন্তবান বেগম (৫৫) জানান, মঙ্গলবার রাত ১টায় কয়েকজন দুর্বৃত্ত বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালিয়ে বিল্ডিংয়ের দরজা-জানালার গ্লাস ভাংচুর করে ও বাড়ির উপরে থাকা আমজাদ শাহর মাজার শরীফের একটি গোডাউনে আগুন ধরিয়ে দিলে তার চিৎকারে বাড়ির আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনে।

গফরগাঁওয়ে প্রেমের ঘটনায় বাড়িতে হামলা, আহত ১২

নিজস্ব সংবাদদাতা, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ, ২৯ এপ্রিল ॥ গফরগাঁওয়ে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বাড়ি-ঘরে হামলা ও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়। ঘটনাটি ঘটে বুধবার উপজেলার রৌহা গ্রামে।

জানা যায়, উপজেলার সালটিয়া ইউনিয়নের রৌহা গ্রামের ছালামত আলীর ছেলে ইনছান আলীর (২৪) সঙ্গে প্রতিবেশী জালাল উদ্দিনের মেয়ে মনিরা বেগমের (১৯) দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। পরে মনিরা গত শনিবার থেকে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক ইনছান আলীর বাড়িতে অনশন শুরু করে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে গতকাল বুধবার সকালে ইনছান ও তার পরিবারের লোকজন অনশনরত অবস্থায় মনিরাকে পিটিয়ে আহত করে। খবর পেয়ে মনিবার পরিবারের লোকজন এগিয়ে গেলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে মনিরার বাবা জালাল উদ্দিন, আলী হোসেন, সিদ্দিক, মাকছুদা, রওশনা খাতুন, নাছিমা আক্তার, হাজেরা খাতুন, রীমা আক্তার, সাথী আক্তার ও ইস্্রাফিলসহ ১২ জন আহত হয়।