২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সরে দাঁড়ালেন কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ


বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ২১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদ-প্রার্থী ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ (লাটিম প্রতীক) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) দ্বিতীয় তলার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর এ ঘোষণা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি এইচএম জিসান মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ, উপ-ক্রীড়া সম্পাদক গোলাম বাকী চৌধুরী প্রমুখ।

মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকা নিয়ে গঠিত ২১নং ওয়ার্ডে (সাবেক ৫৭নং) কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের সমর্থন চেয়েছিলেন আসাদ। কিন্তু আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন দেয়া হয় অ্যাডভোকেট এমএ হামিদ খানকে (ঠেলাগাড়ি প্রতীক)। দলীয় সমর্থন না পেয়েও তাকে প্রত্যক্ষ সমর্থন দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম। ছাত্রলীগের সমর্থনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই আসাদ জোর প্রচার চালান। তার পক্ষে প্রকাশ্যে মাঠে নামেন ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। এমনকি প্রচারের শেষদিন গত রবিবার পর্যন্ত আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হামিদ খানের কোন লোকজনকে ঢাবি ক্যাম্পাসে ঢুকতেই দেয়নি ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। একাধিকবার হামিদ খানের সমর্থকরা প্রচারে অংশ নিতে গিয়েও বাধার সম্মুখীন হন।

এ ওয়ার্ডটির কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল মূলত ছয়জনের। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী এবং বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী সাবেক কমিশনার খাজা হাবিবুল্লাহ হাবিব (রেডিও প্রতীক)। স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ (লাটিম) এবং ঢাবির শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের সাবেক সভাপতি মাইন উদ্দিন বাবু (কাটা চামচ প্রতীক)। আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এসএম এনামুল হক আবির (ঘুড়ি প্রতীক), মোঃ শাহাবউদ্দিন আহম্মেদ পিন্টু (ঝুড়ি)। এরাও আওয়ামী লীগ কিংবা এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছিলেন আসাদুজ্জামান আসাদ। সংবাদ সম্মেলনে আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, গতকাল (রবিবার) রাত ১২টা পর্যন্ত আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা গণতন্ত্রের মানসকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকে তাকিয়েছিলাম। আমি আশা করেছিলাম, তিনি আমাকে সমর্থন না দিলেও, এই ওয়ার্ডটা আমার জন্য উন্মুক্ত করে দিবেন। যেহেতু, আমার প্রতি তাঁর নিকট থেকে কোন নির্দেশ আসেনি, তাই আমি এই নির্বাচন বয়কট করলাম। তিনি আরও বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আমি অনেক ভালবাসি। আমার বাবা-মায়ের পরই আমি ভালবাসি এই দেশের মমতাময়ী জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তাই তার নিকট থেকে কোন নির্দেশ না পাওয়ায়, আমি স্বেচ্ছায় এই নির্বাচন বয়কট করছি।