২২ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

অভিবাসী তল্লাশি-উদ্ধারে তিন গুণ করা হবে তহবিল


আফ্রিকা থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে আসা অভিবাসীদের নৌযানডুবিতে হতাহতের ঘটনা বৃদ্ধির কারণে তাদের তল্লাশি ও উদ্ধার কাজে অর্থ তহবিল তিন গুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা। ভূমধ্যসাগর অতিক্রম করে ইতালিতে প্রবেশের চেষ্টাকালে গত সপ্তাহে একটি নৌযানডুবিতে আটশ’র মতো মানুষের মৃত্যুর পর এমন সিদ্ধান্ত এলো।Ñখবর বিবিসির।

বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে এক জরুরী বেঠকে, পাচারকারীদের ব্যবহৃত নৌযান ধ্বংসে সামরিক পদক্ষেপের বিষয়েও অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই কাজে বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ জাহাজ, হেলিকপ্টার ও জনবল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

মাল্টার প্রধানমন্ত্রী জোসেফ মাসকাট অভিবাসী নৌযান পরিচালনাকারী অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে এত বেশি মানুষ মরিয়া হয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করছে যে, সেটা এখন ইউরোপীয় নেতাদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত বছর ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ উত্তর আফ্রিকা থেকে ইতালিতে প্রবেশ করেছে। শুধু এবছরের এপ্রিল পর্যন্তই ১৬শ’র বেশি অবৈধ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। এপ্রিলের শুরুতে মাত্র সাত দিনে উদ্ধার করা হয়েছে ১৩ হাজারেরও বেশি মানুষকে ।

এর আগে লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে অভিবাসী পাঠানো দমন করতে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তাব দেয় ইতালি। এই প্রস্তাব বিবেচনার জন্যই মূলত বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় নেতাদের এক শীর্ষ সম্মেলন হয়। এই শীর্ষ সম্মেলনে নয়া দশটি প্রস্তাব নিয়ে ইউরোপীয় নেতারা কথা বলেন। প্রধান প্রস্তাবটি ছিল, আফ্রিকার উপকূলে মানবপাচারকারীরা যে সব নৌযান ব্যবহার করছে সেগুলো যাত্রা শুরুর আগেই খুঁজে খুঁজে ধ্বংস করে দেওয়া। ইতালি তার প্রস্তাবে বলেছে, সামরিক ব্যবস্থা নিতে হবে এবং ইতালি চাপ দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যাতে এরকম সামরিক ম্যান্ডেট অনুমোদন করে। নৌযানে করে হাজার হাজার যে অভিবাসী আফ্রিকা থেকে আসছে, তাদের নব্বই শতাংশই এসে নামছে ইতালিতে। এটা নিয়ে সেদেশে বর্তমানে প্রচ- ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে।

তবে ইউরোপে এখন এই ধারণা শক্ত হচ্ছে যে, এই ধরনের অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ও সাগরে বড় ধরনের ট্রাজেডি ঠেকাতে হবে অভিবাসীরা নৌকায় ওঠার আগেই।