২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

চানখারপুলে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হচ্ছে


স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানীর চানখারপুলের জাতীয় যক্ষ্মা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ভেঙ্গে প্রতিষ্ঠা করা হবে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। এখানে নির্মাণ করা হবে বহুতল ভবন । বাংলাদেশে গড়ে প্রতিবছর ৯ লাখ মানুষ আগুনে পুড়ছে। এসব রোগীর আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসাসেবা দিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে আনার লক্ষ্যে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৫ মার্চ এ ইনস্টিটিউট স্থাপনের ঘোষণা দেন। সাধারণত মেডিক্যাল কলেজের পাশেই ইনস্টিটিউট স্থাপন করতে হয়। এতে রোগীর চিকিৎসাসেবা পেতে সুবিধা হয়। এ কারণে এই জায়গাকে উপযুক্ত স্থান হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় যক্ষ্মা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও এর চারপাশ এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন এ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সভাকক্ষে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিয়ম করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আগুনে পোড়া রোগীদের আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি সরেজমিন জায়গাটি পরিদর্শন করেছেন। তাছাড়া ওই জায়গায় বার্ন ইনস্টিটিউট করার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন। প্রসঙ্গত, এক একর ৭০ শতাংশ জায়গার একটি অংশে সরকারী জাতীয় যক্ষ্মা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া বাকি জায়গা দখল করে পেট্রোল পাম্পহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে- স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ দীন মোঃ নূরুল হক, বার্ন ইউনিট সম্প্রসারণের প্রধান সমন্বয়কারী ডাঃ সামন্ত লাল সেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডাঃ জুলফিকার আলী লেলিন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল) অধ্যাপক ডাঃ শামিউল ইসলাম, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ আবুল কালামসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।