১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

যশোরে জ্বালানির অভাবে বিদ্যুত উৎপাদন বন্ধ ॥ লোডশেডিং


স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ গত দেড় বছর যাবত ১শ’ ৫ মেগাওয়াট কোয়ান্টাম পাওয়ার প্লান্টে বিদ্যুত উৎপাদন বন্ধ থাকার পর এবার বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে খানজাহান আলী পাওয়ার কোম্পানির বিদ্যুত উৎপাদন। জ্বালানি তেল সঙ্কটের কারণে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদনের পরিবর্তে গত পাঁচ দিন ধরে মাত্র আট মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন করায় বেড়েছে তীব্র লোডশেডিং। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিদ্যুত গ্রাহকরা।

নওয়াপাড়া পল্লী বিদ্যুত অফিস জানায়, নড়াইল জেলাসহ যশোরের অভয়নগর, মণিরামপুর ও খুলনার ফুলতলা উপজেলায় পিক আওয়ারে মোট বিদ্যুতের চাহিদা ৫৪ মেগাওয়াট। অফপিক আওয়ারে মোট বিদ্যুতের চাহিদা ৩৬ মেগাওয়াট। খানজাহান আলী পাওয়ার কোম্পানির উৎপাদিত ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎসহ জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুয়ায়ী প্রাপ্ত বিদ্যুত নড়াইল জেলাসহ অভয়নগর এবং ফুলতলা ও মণিরামপুর উপজেলার ২৯টি ফিডারে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু খানজাহান আলী পাওয়ার কোম্পানি গত পাঁচ দিন ধরে নওয়াপাড়া পল্লী বিদ্যুত সমিতির সাব স্টেশনে পিক আওয়ারে ১৬ ও অফপিক আওয়ারে আট মেগাওয়াট বিদ্যুত সরবরাহ করায় বেড়েছে লোডশেডিং।

এ ব্যাপারে খানজাহান আলী কোম্পানির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, জ্বালানি তেলের অভাবে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তেল মংলা নৌবন্দরে পৌঁছেছে। দু’এক দিনের মধ্যে বিদ্যুত উৎপাদনে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে।

রায়পুরে জামায়াত কর্মীকে গণপিটুনি, চুল কর্তন

সংবাদদাতা, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর, ২২ এপ্রিল ॥ একাধিক লোকের সঙ্গে পাওনা টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে হাফেজ আল ফারুক নামের এক প্রতারক জামায়াতকর্মীকে গণপিটুনি দিয়েছে স্থানায়ী জনতা। এ সময় স্থানীয় লোকজন পাওনা টাকার কোন ব্যবস্থা না করা এবং কোন লোক ওই টাকার জামিন না নেয়ায় ওই প্রতারক ব্যবসায়ীকে পাওনাদাররা উত্তেজিত হয়ে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মাথার চুল কেটে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার জনতা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হাফেজ আল ফারুক (৫০) বেকারির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং পৌর শহরের মধুপুর এলাকার মাওলানা আবু ইউসুফের ছেলে ও জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। তার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী নুরনবী পাটোয়ারীর কাছে থেকে ২৩ শতাংশ জমি বিক্রির নামে প্রায় এক কোটি টাকা লেনদেন নিয়ে একটি, সোনালী ব্যাংকের ৪৫ লাখ টাকা ঋণখেলাপীর একটি, সাখায়েত ভূঁইয়ার সঙ্গে জমি নিয়ে থানায় ও আদালতে প্রতারণার একাধিক মামলা রয়েছে।